নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সাত মাস পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লায় দৃশ্যমান উন্নয়ন কতটুকু হয়েছে তা নিয়ে চলছে নানা ধরণের বিশ্লেষণ। কেউ বলেছেন কুমিল্লার বিএনপি দলীয় মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসক ও চেয়ারম্যানেরা এখনও দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। কেউ বলেছেন, ভেতরে ভেতরে একজন আরেকজন সঙ্গে ভালো না। তাই বড় কোন প্রকল্প নিতে পারছেন না। আবার কেউ বলেছেন, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে উন্নয়ন কাজ থমকে আছে। আর সময় লাগবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সর্বশেষ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুরের পথসভায় বলেছিলেন, সরকার অর্থনৈতিক চাপে আছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপিতে বাইরে থেকে বিভাজন দেখা যাচ্ছে। তলে তলে সবাই এক। দক্ষিণ জেলা বিএনপিতে কোন বিভাজন নেই। উত্তরে জাতীয় এক নেতার সঙ্গে নতুন এক সংসদ সদস্যের বিরোধ আছে। কুমিল্লা -৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি আছেন বিভিন্ন জনদুর্ভোগ নিয়ে ডিও দেওয়া, কর্মশালা, সেমিনার ও মতবিনিময় নিয়ে। কয়েকজনকে বদলি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পদে দলীয় লোককে বসানো নিয়ে। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ মন্ত্রী হওয়ার পর একবারও জেলা শহরে আসেননি। টেকনোক্রেট মন্ত্রী (কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়) মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ , গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জিয়াউর রহমানের মৃত্যবার্ষিকী ও দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সকাল ও বিকেলে আলাদাভাবে করেছেন। তাঁরা প্রধান অতিথি হতে চান, প্রধান বক্তা হতে চান না। মনিরুল হক চৌধুরী কৃষিমন্ত্রীর কোন অনুষ্ঠানে থাকেন না।
দলের এই বিভাজন নিয়ে এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তৃতা করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম চৌধুরী।
কৃষিমন্ত্রীর সামনেই তিনি বলেন, ‘আমরা মহানগর ও জেলা মিলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠান করতে পারছি না। ’
তবে কুমিল্লাবাসী চায়, সবার আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। যদিও বিভাগের জন্য সমতট অঞ্চলের (বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালী) অধিকাংশ সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা ও সম্মতি নিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। সেটি হবে বলে কুমিল্লার সব বিএনপি নেতারা মনে করছেন।
নগরবাসী চায়- পরিকল্পিত বাসযোগ্য নগরী, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, গোমতী নদীর সুশাসন, পুরাতন গোমতী নদীর পাড় থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ।
রাজগঞ্জ বাজারের এক মুদি দোকানদার বলেন, তীর ও ফ্রেশের ময়দার এক কেজির প্যাকেটের গায়ের দাম ছিল বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে ৭০ টাকা। বর্তমানে ৯০ টাকা ফ্রেশেরটা। তীরের উৎপাদন বন্ধ।
জানা গেছে, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রীসভা শপথ গ্রহণ করে। ওই দিনই কুমিল্লার একজনকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী করা হয়। পরে দুইজনকে প্রশাসক ও দুইজনকে চেয়ারম্যান করা হয় চারটি প্রতিষ্ঠানের। দল ক্ষমতায় আসার পর আন্দোলনে থাকা পাঁচ ব্যক্তিকে বিএনপি মূল্যায়ন করেছে। তাঁদের কাছে কুমিল্লাবাসীর প্রত্যাশা ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁরা কুমিল্লার দৃশ্যমান উন্নয়ন। দলের ত্যাগী নেতাদের যথাযথ প্রক্রিয়া মোতাবেক কাজ দিক।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সাত মাস পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লায় দৃশ্যমান উন্নয়ন কতটুকু হয়েছে তা নিয়ে চলছে নানা ধরণের বিশ্লেষণ। কেউ বলেছেন কুমিল্লার বিএনপি দলীয় মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসক ও চেয়ারম্যানেরা এখনও দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। কেউ বলেছেন, ভেতরে ভেতরে একজন আরেকজন সঙ্গে ভালো না। তাই বড় কোন প্রকল্প নিতে পারছেন না। আবার কেউ বলেছেন, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে উন্নয়ন কাজ থমকে আছে। আর সময় লাগবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সর্বশেষ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুরের পথসভায় বলেছিলেন, সরকার অর্থনৈতিক চাপে আছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপিতে বাইরে থেকে বিভাজন দেখা যাচ্ছে। তলে তলে সবাই এক। দক্ষিণ জেলা বিএনপিতে কোন বিভাজন নেই। উত্তরে জাতীয় এক নেতার সঙ্গে নতুন এক সংসদ সদস্যের বিরোধ আছে। কুমিল্লা -৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি আছেন বিভিন্ন জনদুর্ভোগ নিয়ে ডিও দেওয়া, কর্মশালা, সেমিনার ও মতবিনিময় নিয়ে। কয়েকজনকে বদলি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পদে দলীয় লোককে বসানো নিয়ে। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ মন্ত্রী হওয়ার পর একবারও জেলা শহরে আসেননি। টেকনোক্রেট মন্ত্রী (কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়) মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ , গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জিয়াউর রহমানের মৃত্যবার্ষিকী ও দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সকাল ও বিকেলে আলাদাভাবে করেছেন। তাঁরা প্রধান অতিথি হতে চান, প্রধান বক্তা হতে চান না। মনিরুল হক চৌধুরী কৃষিমন্ত্রীর কোন অনুষ্ঠানে থাকেন না।
দলের এই বিভাজন নিয়ে এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তৃতা করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম চৌধুরী।
কৃষিমন্ত্রীর সামনেই তিনি বলেন, ‘আমরা মহানগর ও জেলা মিলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠান করতে পারছি না। ’
তবে কুমিল্লাবাসী চায়, সবার আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। যদিও বিভাগের জন্য সমতট অঞ্চলের (বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালী) অধিকাংশ সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা ও সম্মতি নিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। সেটি হবে বলে কুমিল্লার সব বিএনপি নেতারা মনে করছেন।
নগরবাসী চায়- পরিকল্পিত বাসযোগ্য নগরী, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, গোমতী নদীর সুশাসন, পুরাতন গোমতী নদীর পাড় থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ।
রাজগঞ্জ বাজারের এক মুদি দোকানদার বলেন, তীর ও ফ্রেশের ময়দার এক কেজির প্যাকেটের গায়ের দাম ছিল বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে ৭০ টাকা। বর্তমানে ৯০ টাকা ফ্রেশেরটা। তীরের উৎপাদন বন্ধ।
জানা গেছে, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রীসভা শপথ গ্রহণ করে। ওই দিনই কুমিল্লার একজনকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী করা হয়। পরে দুইজনকে প্রশাসক ও দুইজনকে চেয়ারম্যান করা হয় চারটি প্রতিষ্ঠানের। দল ক্ষমতায় আসার পর আন্দোলনে থাকা পাঁচ ব্যক্তিকে বিএনপি মূল্যায়ন করেছে। তাঁদের কাছে কুমিল্লাবাসীর প্রত্যাশা ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁরা কুমিল্লার দৃশ্যমান উন্নয়ন। দলের ত্যাগী নেতাদের যথাযথ প্রক্রিয়া মোতাবেক কাজ দিক।