নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় হাম উপসর্গে হোসাইন নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ।
ওই শিশু কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ভোলাচর গ্রামের শাহ পরানের ছেলে। গত ১৪ এপ্রিল রাতে জ্বর ও কাশির উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায় শিশুটি।
এদিকে, চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কুমিল্লায় হামের প্রাদুর্ভাব কিছুটা বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসার জন্য এসেছেন ৭৫৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২১ জন। চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন ৩১০ জন। যার মধ্যে ২৮ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। গুরুতর অসুস্থদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে সেখানে ৩ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হাম উপসর্গে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সেটি ছিল জেলায় স্থানীয়ভাবে প্রথম মৃত্যু। আর ১৭ এপ্রিলের এক মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু দাঁড়াল পাঁচজনে। স্থানীয়ভাবে মোট মৃত্যু ২। তাদের সবাই হাম উপসর্গে মারা গেছেন। নিশ্চিতভাবে কেউ হামে আক্রান্ত ছিলেন না।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নূর বশীর আহমেদ বলেন, কুমিল্লায় স্থানীয়ভাবে দুই শিশু মারা গেছে। তাদের হামের উপসর্গ ছিল। পাশাপাশি তারা অন্য রোগেও আক্রান্ত ছিল।
তিনি বলেন, কুমিল্লায় হাম পরিস্থিতি তৃতীয় স্তরে রয়েছে। এটি বড় জেলা। অন্যজেলা থেকেও রোগী ভর্তি হয়। বড় জেলা হিসেবে কুমিল্লায় আনুপাতিকভাবে আক্রান্তের হার কম। তারপরও সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমরাও হাম নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

কুমিল্লায় হাম উপসর্গে হোসাইন নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ।
ওই শিশু কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ভোলাচর গ্রামের শাহ পরানের ছেলে। গত ১৪ এপ্রিল রাতে জ্বর ও কাশির উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায় শিশুটি।
এদিকে, চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কুমিল্লায় হামের প্রাদুর্ভাব কিছুটা বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসার জন্য এসেছেন ৭৫৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২১ জন। চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন ৩১০ জন। যার মধ্যে ২৮ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। গুরুতর অসুস্থদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে সেখানে ৩ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হাম উপসর্গে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সেটি ছিল জেলায় স্থানীয়ভাবে প্রথম মৃত্যু। আর ১৭ এপ্রিলের এক মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু দাঁড়াল পাঁচজনে। স্থানীয়ভাবে মোট মৃত্যু ২। তাদের সবাই হাম উপসর্গে মারা গেছেন। নিশ্চিতভাবে কেউ হামে আক্রান্ত ছিলেন না।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নূর বশীর আহমেদ বলেন, কুমিল্লায় স্থানীয়ভাবে দুই শিশু মারা গেছে। তাদের হামের উপসর্গ ছিল। পাশাপাশি তারা অন্য রোগেও আক্রান্ত ছিল।
তিনি বলেন, কুমিল্লায় হাম পরিস্থিতি তৃতীয় স্তরে রয়েছে। এটি বড় জেলা। অন্যজেলা থেকেও রোগী ভর্তি হয়। বড় জেলা হিসেবে কুমিল্লায় আনুপাতিকভাবে আক্রান্তের হার কম। তারপরও সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমরাও হাম নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।