নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তফুরা বেগম (৫৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পশ্চিম বামপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী। আজ রোববার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নাঙ্গলকোট পৌর বাজার রেলক্রসিং সংলগ্ন হরিপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ৪ ডাউন কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি নাঙ্গলকোট পৌরবাজার রেলক্রসিং সংলগ্ন হরিপুর এলাকায় পৌঁছলে মানসিক ভারসাম্যহীন তফুরা বেগম রেলপথ অতিক্রমকালে ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। এসময় তাঁর হাত এবং মাথায় কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তফুরা বেগম রোববার দুপুরে সবার অজান্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রোববার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন সমাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত মহিলা নিহত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তফুরার লাশ শনাক্ত করে বাড়ি নিয়ে আসেন।
লাকসাম রেলওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে এসে মহিলার লাশ পাওয়া যায়নি। পরিবারের লোকজন লাশ নিয়ে গেছে । তারপরও ঘটনাস্থলের সার্বিক কাজ শেষ করে মহিলার বড়িতে গিয়ে পরবর্তী আইনি কর্যক্রম গ্রহণ করা হবে ।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তফুরা বেগম (৫৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পশ্চিম বামপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী। আজ রোববার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নাঙ্গলকোট পৌর বাজার রেলক্রসিং সংলগ্ন হরিপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ৪ ডাউন কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি নাঙ্গলকোট পৌরবাজার রেলক্রসিং সংলগ্ন হরিপুর এলাকায় পৌঁছলে মানসিক ভারসাম্যহীন তফুরা বেগম রেলপথ অতিক্রমকালে ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। এসময় তাঁর হাত এবং মাথায় কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তফুরা বেগম রোববার দুপুরে সবার অজান্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রোববার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন সমাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত মহিলা নিহত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তফুরার লাশ শনাক্ত করে বাড়ি নিয়ে আসেন।
লাকসাম রেলওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে এসে মহিলার লাশ পাওয়া যায়নি। পরিবারের লোকজন লাশ নিয়ে গেছে । তারপরও ঘটনাস্থলের সার্বিক কাজ শেষ করে মহিলার বড়িতে গিয়ে পরবর্তী আইনি কর্যক্রম গ্রহণ করা হবে ।