নিজস্ব প্রতিবেদক

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চার ধরণের পশু প্রস্তুত করেছেন কুমিল্লার খামারিরা। এগুলো হর গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ। এবারও চাহিদার তুলনায় ১২ হাজার পশু বেশি আছে। ফলে কোরবানির পশু নিয়ে কোন ধরণের অনিশ্চয়তা নেই। বরাবরের মতো এবারও ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। একক পরিবারগুলোতে এই ধরণের গরু বেশি লাগে। ইতিমধ্যে কুমিল্লার বিভিন্ন ফার্মে অনলাইনে ও সরাসরি গরু বিক্রি শুরু হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় কোরবানির জন্য ২ লাখ ৫৯ হাজার গবাদি পশু আছে। এর মধ্যে ষাঁড় ও বলদ ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৩ টি , গাভী ও বকনা ৪৬ হাজার ১৭৬টি, মহিষ ১ হাজার ৭৪৮টি , ছাগল ৫৪ হাজার ৮৫২টি ছাগল, ভেড়া ৩ হাজার ২৩৫টি ভেড়া ও অন্যান্য পশু ১৯৬টি। এবার কোরবানির চাহিদা ২ লাখ ৪৭ হাজার টি পশু। সেই হিসেবে চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকবে ১২ হাজার টি পশু। গত ২০ এপ্রিল ওই তালিকা তৈরি করা হয়।
খামারি ও গৃহস্তরা বলছেন, কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু না নামলে কোন এবার দাম বেশি হবে। ভারতীয় গরু নামলে বাজার টালমাটাল হয়ে যায়।
খামারিদের অভিযোগ, প্রতি বছরই কোরবানির হাট শুরুর আগে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু ঢুকে পড়ায় দেশি পশুর দাম কমে যায়। এতে লোকসানে পড়তে হয় খামারিদের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতীয় পশু এলে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে ভবিষ্যতে তারা পশুপালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা ১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হবে। বিশেষ করে শাহপুর ও শিবের বাজার সীমান্তকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হবে।’
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ‘জেলায় প্রায় ৩৬ হাজার খামারি রয়েছেন। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত আছে।’
আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের ধনুয়াখলা জেড এইচ এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জিয়াউল হক লিটু বলেন, এবারও মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি।
কুমিল্লা নগরের ফুলতলী এলাকায় ফরিদ গ্রæপ ফার্ম করেছে। এতেও মাঝারি আকারের গরু আছে। ফার্মের উদ্যোক্তা দেলোয়ার হোসেন মানিক বলেন, আমাদের বড় পরিবার। তাই গত বছর গরুর ফার্ম করেছি। নিজেদের চাহিদা শেষ হলে বাড়তি গরু বিক্রি করব।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চার ধরণের পশু প্রস্তুত করেছেন কুমিল্লার খামারিরা। এগুলো হর গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ। এবারও চাহিদার তুলনায় ১২ হাজার পশু বেশি আছে। ফলে কোরবানির পশু নিয়ে কোন ধরণের অনিশ্চয়তা নেই। বরাবরের মতো এবারও ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। একক পরিবারগুলোতে এই ধরণের গরু বেশি লাগে। ইতিমধ্যে কুমিল্লার বিভিন্ন ফার্মে অনলাইনে ও সরাসরি গরু বিক্রি শুরু হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় কোরবানির জন্য ২ লাখ ৫৯ হাজার গবাদি পশু আছে। এর মধ্যে ষাঁড় ও বলদ ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৩ টি , গাভী ও বকনা ৪৬ হাজার ১৭৬টি, মহিষ ১ হাজার ৭৪৮টি , ছাগল ৫৪ হাজার ৮৫২টি ছাগল, ভেড়া ৩ হাজার ২৩৫টি ভেড়া ও অন্যান্য পশু ১৯৬টি। এবার কোরবানির চাহিদা ২ লাখ ৪৭ হাজার টি পশু। সেই হিসেবে চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকবে ১২ হাজার টি পশু। গত ২০ এপ্রিল ওই তালিকা তৈরি করা হয়।
খামারি ও গৃহস্তরা বলছেন, কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু না নামলে কোন এবার দাম বেশি হবে। ভারতীয় গরু নামলে বাজার টালমাটাল হয়ে যায়।
খামারিদের অভিযোগ, প্রতি বছরই কোরবানির হাট শুরুর আগে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু ঢুকে পড়ায় দেশি পশুর দাম কমে যায়। এতে লোকসানে পড়তে হয় খামারিদের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতীয় পশু এলে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে ভবিষ্যতে তারা পশুপালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা ১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হবে। বিশেষ করে শাহপুর ও শিবের বাজার সীমান্তকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হবে।’
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ‘জেলায় প্রায় ৩৬ হাজার খামারি রয়েছেন। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত আছে।’
আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের ধনুয়াখলা জেড এইচ এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জিয়াউল হক লিটু বলেন, এবারও মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি।
কুমিল্লা নগরের ফুলতলী এলাকায় ফরিদ গ্রæপ ফার্ম করেছে। এতেও মাঝারি আকারের গরু আছে। ফার্মের উদ্যোক্তা দেলোয়ার হোসেন মানিক বলেন, আমাদের বড় পরিবার। তাই গত বছর গরুর ফার্ম করেছি। নিজেদের চাহিদা শেষ হলে বাড়তি গরু বিক্রি করব।