এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে ৪২০ কেজি জিরা লুট করে নিয়েছে ১৪-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র।
এ ঘটনায় পুলিশ আজ শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের তথ্যমতে লুটকরা জিরার ১৪ বস্তা মালামাল উদ্ধার করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, দেবীদ্বার পৌর এলাকার দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে মো. নাজমুল হাসান (২৮) ও মো. রুহুল আমীনের ছেলে মো. মাসুক ওরুফে মনা (২৬) এবং দেবীদ্বার উপজেলার খলিলপুর গ্রামের প্রয়াত আবুল হাসেমের ছেলে মো. জুয়েল (৩০)।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোর ৪টা ৩০মিনিটে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার পৌর এলাকার পানুয়ারপুল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ডাকাতি ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার ভোর ৪ টা ৩০মিনিটে সিলেট থেকে লাল সবুজ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নোয়াখালী যাওয়ার পথে দেবীদ্বারের পানুয়ারপুল বাসস্ট্যান্ডে আসার পর ১৪-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল বাসটি গতিরোধ করে। এ সময় সাদা পোশাকধারী দলটি ডিবি পুলিশের পরিচয়ে পুলিশের আইডি কার্ড দেখিয়ে বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে বাসে মাদক আছে, তাই তল্লাশি করতে হবে। এক পর্যায়ে ৩০ কেজি ওজনের ১৪ টি জিরার বস্তা তারা লুট করে নেয়। এ নিয়ে বাঁধা দিলে গাড়ির ষ্টাফসহ যাত্রীদের কয়েকজনকে মারধর করে জিরার বস্তাগুলো নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে জিরার বস্তার মালিক নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার মুছাপুর গ্রামের মোসাদ্দেক হোসেনের ছেলে ব্যবসায়ী মো. মাহামুদুল হাসান মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিশ অভিযোগ পেয়ে অভিযানে নামেন। অভিযানে ৩ ডাকাতকে আটকের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এবং তাদের তথ্যমতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভোলাচং বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রদীপ পাল ও অপু সাহাসহ কয়েকজনের দোকান থেকে ১৪ বস্তা জিরা উদ্ধার করেন।
জিরার মালিক ব্যবসায়ী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমার প্রায় ২ লাখ টাকার জিরার চালান লুট করে নেয়ার অভিযোগে আটক ৩ ডাকাতসহ অজ্ঞাতনামা ১২-১৩ জনকে অভিযুক্ত করে শনিবার দেবীদ্বার থানায় মামলা করেছি।
সিলেট আম্বরখানার ‘চৌকিদেখি’ এলাকার সিলেট বাজারের মালিক মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা মালামাল পরিবহনে তুলে দেই, গন্তব্যে পৌঁছার পর মালিক মালামাল রিসিভ করেন। লুট হওয়া ৩০ কেজি করে ১৪ বস্তায় ৪২০ কেজি জিরা ছিল। যার বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। মাল উদ্ধারে স্বস্তি পেলাম।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. ইমাম হোসেন বলেন, এ চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক চোরাচালানী করে আসছিল। আমরা তাৎক্ষনিক অভিযানে ৩ ডাকাতসহ সম্পূর্ণ লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছি।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে ৪২০ কেজি জিরা লুট করে নিয়েছে ১৪-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র।
এ ঘটনায় পুলিশ আজ শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের তথ্যমতে লুটকরা জিরার ১৪ বস্তা মালামাল উদ্ধার করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, দেবীদ্বার পৌর এলাকার দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে মো. নাজমুল হাসান (২৮) ও মো. রুহুল আমীনের ছেলে মো. মাসুক ওরুফে মনা (২৬) এবং দেবীদ্বার উপজেলার খলিলপুর গ্রামের প্রয়াত আবুল হাসেমের ছেলে মো. জুয়েল (৩০)।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোর ৪টা ৩০মিনিটে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার পৌর এলাকার পানুয়ারপুল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ডাকাতি ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার ভোর ৪ টা ৩০মিনিটে সিলেট থেকে লাল সবুজ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নোয়াখালী যাওয়ার পথে দেবীদ্বারের পানুয়ারপুল বাসস্ট্যান্ডে আসার পর ১৪-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল বাসটি গতিরোধ করে। এ সময় সাদা পোশাকধারী দলটি ডিবি পুলিশের পরিচয়ে পুলিশের আইডি কার্ড দেখিয়ে বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে বাসে মাদক আছে, তাই তল্লাশি করতে হবে। এক পর্যায়ে ৩০ কেজি ওজনের ১৪ টি জিরার বস্তা তারা লুট করে নেয়। এ নিয়ে বাঁধা দিলে গাড়ির ষ্টাফসহ যাত্রীদের কয়েকজনকে মারধর করে জিরার বস্তাগুলো নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে জিরার বস্তার মালিক নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার মুছাপুর গ্রামের মোসাদ্দেক হোসেনের ছেলে ব্যবসায়ী মো. মাহামুদুল হাসান মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিশ অভিযোগ পেয়ে অভিযানে নামেন। অভিযানে ৩ ডাকাতকে আটকের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এবং তাদের তথ্যমতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভোলাচং বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রদীপ পাল ও অপু সাহাসহ কয়েকজনের দোকান থেকে ১৪ বস্তা জিরা উদ্ধার করেন।
জিরার মালিক ব্যবসায়ী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমার প্রায় ২ লাখ টাকার জিরার চালান লুট করে নেয়ার অভিযোগে আটক ৩ ডাকাতসহ অজ্ঞাতনামা ১২-১৩ জনকে অভিযুক্ত করে শনিবার দেবীদ্বার থানায় মামলা করেছি।
সিলেট আম্বরখানার ‘চৌকিদেখি’ এলাকার সিলেট বাজারের মালিক মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা মালামাল পরিবহনে তুলে দেই, গন্তব্যে পৌঁছার পর মালিক মালামাল রিসিভ করেন। লুট হওয়া ৩০ কেজি করে ১৪ বস্তায় ৪২০ কেজি জিরা ছিল। যার বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। মাল উদ্ধারে স্বস্তি পেলাম।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. ইমাম হোসেন বলেন, এ চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক চোরাচালানী করে আসছিল। আমরা তাৎক্ষনিক অভিযানে ৩ ডাকাতসহ সম্পূর্ণ লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছি।