নিজস্ব প্রতিবেদক

পিআরএলে যাওয়া যুগ্মসচিব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক মো. শাহ আলম ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ফ্রান্সের 'প্যারিস আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি' থেকে তিনি ওই ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
বাংলাদেশের বীমা খাতে মানবসম্পদের গুরুত্ব: লাইফ এবং নন-লাইফ বীমা খাতের উপর গবেষণা' শীর্ষক বিষয়ের ওপর তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। গত রোববার আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।
মো. শাহ আলম কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা গ্রামের বাসিন্দা। আড্ডা গ্রামের আবদুল করিম মুন্সী বাড়ির মরহুম মো. আবদুল কাদিরের বড় ছেলে শাহ আলম।
তিনি দীর্ঘদিন সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। পরে তিনি এডমিন ক্যাডারে যান। মানুষ হিসেবে শাহ আলম অসাধারণ। পুরো পরিবার ও স্বজনদের জন্য তিনি নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন। কর্মজীবন শেষে তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন তাঁকে উজ্জীবিত করেছে।
১৯৯৩ সালে ১৪তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক পদে যোগ দেন। ২০০১ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে যোগ দেন। ২০০১ সালের অক্টোবরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে যোগ দেন। ২০১০ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ২০১৪ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বিভাগীয় প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের মার্চ মাস ভিক্টোরিয়া কলেজে ছিলেন।
এছাড়া ২০০৫ সাল থেকে উচ্চমাধ্যমিক থেকে শুরু করে মাস্টার্স পর্যন্ত একাডেমিক বিষয়ের অসংখ্য বইয়ের সহলেখক হিসেবে ছিলেন তিনি।
শিক্ষকতার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্বও সফলতার সাথে পালন করেছেন মো. শাহ আলম। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার মোট ২২টি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেন।
২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে তিনি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের উপপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক পদে যোগ দিয়ে তিনি পরিচালক (লাইফ), প্রশাসন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সেন্ট্রাল রেটিং কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৩ সালে যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে প্রায় ৪১টি জেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন এবং সর্বশেষ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আইএলও-এর কনভেনশন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে দেখভাল করেন।
মো. শাহ আলম বলেন, শিক্ষকতার শুরু থেকেই উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের প্রবল ইচ্ছা ছিল। তখন আমি চট্টগ্রাম সিটি কলেজের প্রভাষক। ওই সময়ে জাপানের ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাই। কিন্তু পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় ওই সময়ে তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পরবর্তীতে ৪৫ বছর বয়সের পর সরকারি স্কলারশিপের সুযোগ না থাকায় তিনি ফ্রান্সের 'প্যারিস আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি' থেকে 'বাংলাদেশের বীমা খাতে মানবসম্পদের গুরুত্ব: লাইফ এবং নন-লাইফ বীমা খাতের উপর গবেষণা' শীর্ষক বিষয়ের ওপর নিজস্ব উদ্যোগে ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে গবেষণা সম্পন্ন করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মদক্ষতা ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে শ্রীলঙ্কা থেকে তিনি মর্যাদাপূর্ণ আউটস্ট্যান্ডিং এইচআর লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সেরা কর্মকর্তা হিসেবে বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। একজন সফল শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক এবং গবেষক হিসেবে ড. মো. শাহ আলমের এই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে তাঁর শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীরা তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ড. মো. শাহ আলম বলেন, নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য পরিশ্রম করেছি। এখনও করে যাচ্ছি। এই অর্জন আমাকে আরও দায়িত্বশীল করবে। সরকার আমাকে আরও কোন কাজে লাগালে সেটাও করতে পারব।
বরুড়া উপজেলার আড্ডা ও পেরপেটি গ্রামের অন্তত আটজন ব্যক্তির সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁরা বলেছেন, ড. মো . শাহ আলম একজন বিনয়ী মানুষ। ছোটবেলা থেকে তিনি সংগ্রাম করে এতটুকুন পথ এসেছেন। ভালো শিক্ষক, দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও পরিবারের ভরসার কেন্দ্রবিন্দুও ড. মো. শাহ আলম।

পিআরএলে যাওয়া যুগ্মসচিব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক মো. শাহ আলম ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ফ্রান্সের 'প্যারিস আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি' থেকে তিনি ওই ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
বাংলাদেশের বীমা খাতে মানবসম্পদের গুরুত্ব: লাইফ এবং নন-লাইফ বীমা খাতের উপর গবেষণা' শীর্ষক বিষয়ের ওপর তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। গত রোববার আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।
মো. শাহ আলম কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা গ্রামের বাসিন্দা। আড্ডা গ্রামের আবদুল করিম মুন্সী বাড়ির মরহুম মো. আবদুল কাদিরের বড় ছেলে শাহ আলম।
তিনি দীর্ঘদিন সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। পরে তিনি এডমিন ক্যাডারে যান। মানুষ হিসেবে শাহ আলম অসাধারণ। পুরো পরিবার ও স্বজনদের জন্য তিনি নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন। কর্মজীবন শেষে তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন তাঁকে উজ্জীবিত করেছে।
১৯৯৩ সালে ১৪তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক পদে যোগ দেন। ২০০১ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে যোগ দেন। ২০০১ সালের অক্টোবরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে যোগ দেন। ২০১০ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ২০১৪ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বিভাগীয় প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের মার্চ মাস ভিক্টোরিয়া কলেজে ছিলেন।
এছাড়া ২০০৫ সাল থেকে উচ্চমাধ্যমিক থেকে শুরু করে মাস্টার্স পর্যন্ত একাডেমিক বিষয়ের অসংখ্য বইয়ের সহলেখক হিসেবে ছিলেন তিনি।
শিক্ষকতার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্বও সফলতার সাথে পালন করেছেন মো. শাহ আলম। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার মোট ২২টি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেন।
২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে তিনি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের উপপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক পদে যোগ দিয়ে তিনি পরিচালক (লাইফ), প্রশাসন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সেন্ট্রাল রেটিং কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৩ সালে যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে প্রায় ৪১টি জেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন এবং সর্বশেষ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আইএলও-এর কনভেনশন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে দেখভাল করেন।
মো. শাহ আলম বলেন, শিক্ষকতার শুরু থেকেই উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের প্রবল ইচ্ছা ছিল। তখন আমি চট্টগ্রাম সিটি কলেজের প্রভাষক। ওই সময়ে জাপানের ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাই। কিন্তু পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় ওই সময়ে তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পরবর্তীতে ৪৫ বছর বয়সের পর সরকারি স্কলারশিপের সুযোগ না থাকায় তিনি ফ্রান্সের 'প্যারিস আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি' থেকে 'বাংলাদেশের বীমা খাতে মানবসম্পদের গুরুত্ব: লাইফ এবং নন-লাইফ বীমা খাতের উপর গবেষণা' শীর্ষক বিষয়ের ওপর নিজস্ব উদ্যোগে ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে গবেষণা সম্পন্ন করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মদক্ষতা ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে শ্রীলঙ্কা থেকে তিনি মর্যাদাপূর্ণ আউটস্ট্যান্ডিং এইচআর লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সেরা কর্মকর্তা হিসেবে বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। একজন সফল শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক এবং গবেষক হিসেবে ড. মো. শাহ আলমের এই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে তাঁর শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীরা তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ড. মো. শাহ আলম বলেন, নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য পরিশ্রম করেছি। এখনও করে যাচ্ছি। এই অর্জন আমাকে আরও দায়িত্বশীল করবে। সরকার আমাকে আরও কোন কাজে লাগালে সেটাও করতে পারব।
বরুড়া উপজেলার আড্ডা ও পেরপেটি গ্রামের অন্তত আটজন ব্যক্তির সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁরা বলেছেন, ড. মো . শাহ আলম একজন বিনয়ী মানুষ। ছোটবেলা থেকে তিনি সংগ্রাম করে এতটুকুন পথ এসেছেন। ভালো শিক্ষক, দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও পরিবারের ভরসার কেন্দ্রবিন্দুও ড. মো. শাহ আলম।