নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার উন্নয়নে পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য পাঁচ নেতাকে একসঙ্গে বসতে হবে। আলাদাভাবে দৌড়ঝাপ দিয়ে কুমিল্লার প্রত্যাশিত উন্নয়ন হবে না। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন। এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। কুমিল্লার উন্নয়নে ‘অর্থনৈতিক চাপে থাকা বিএনপির সরকার’ এত টাকা বরাদ্দ দেবে কিনা তা নিয়েও রয়েছে আলোচনা। এ অবস্থায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কুমিল্লাবাসী।
পাঁচ নেতা হলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কৃষি, খাদ্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু।
এর মধ্যে জাকারিয়া তাহের সুমন ও মনিরুল হক চৌধুরী জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন টেকনোক্রেট মন্ত্রী, মো. মোস্তাক মিয়া ও মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ব্যক্তি হিসেবে প্রশাসক হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বিভিন্ন পদে পাঁচ নেতার মধ্যে চার নেতাই তাঁদের অনুসারীদের বিভিন্ন পদ পদবিতে স্থান দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাঁরা কেউ কেউ বিতর্কিত ও সমালোচিত ব্যক্তিদেরও স্থান দিচ্ছেন। এতে করে সংশ্লিষ্ট নেতাদের অনুসারীরা তাঁদের ওপর ক্ষুব্ধ।
নগরের ধর্মসাগর পাড় এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার যদি স্থানান্তর করা হয়, তাহলে বর্তমানে চলমান ও শেষ পর্যায়ে থাকা শত শত কোটি টাকার প্রকল্পের কি হবে?
ওই ব্যক্তি আরও বলেন, কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ইউটার্ন, ওভারপাস তৈরি, কুমিল্লা-ঢাকা নতুন রেললাইন স্থাপন, নতুন কারাগার স্থাপন, কুমিল্লা ইপিজেডের বর্জ্য অপসারণ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কুমিল্লা বিভাগ ও কুমিল্লা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এ জেলার বাসিন্দাদের মূল দাবি। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে হাজার হাজার কোটি টাকা লাগবে। প্রকল্পগুলো নিয়ে পাঁচ নেতা একসঙ্গে বসেননি। যে যার মতো করে বক্তৃতা দিচ্ছেন। ভিডিও করে অনুসারীদের দিয়ে বক্তব্য ছাড়ছেন। অগোছালো এইসব উদ্যোগ বর্তমান সরকারের সময়ে আলোর মুখ দেখবে কিনা তা নিয়ে সংশয় আছে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, ‘কুমিল্লা বিভাগ, কুমিল্লা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও সদর হাসপাতালে শয্যা বাড়ানো আমার প্রধান লক্ষ্য। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সব কাজ হবে।’
এদিকে কুমিল্লা নগর ভবনের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, এতদিনে নগর ভবনের কাজ অনেক দূর এগিয়ে যেত। পাঁচজনের একজন নগর ভবন নির্মাণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে প্রশাসক মহোদয় দরপত্র আহ্বান করেছেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লার সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান বলেন, সবাই একসঙ্গে বসে উন্নয়নের রূপরেখা ঠিক করলে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে।

কুমিল্লার উন্নয়নে পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য পাঁচ নেতাকে একসঙ্গে বসতে হবে। আলাদাভাবে দৌড়ঝাপ দিয়ে কুমিল্লার প্রত্যাশিত উন্নয়ন হবে না। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন। এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। কুমিল্লার উন্নয়নে ‘অর্থনৈতিক চাপে থাকা বিএনপির সরকার’ এত টাকা বরাদ্দ দেবে কিনা তা নিয়েও রয়েছে আলোচনা। এ অবস্থায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কুমিল্লাবাসী।
পাঁচ নেতা হলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কৃষি, খাদ্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু।
এর মধ্যে জাকারিয়া তাহের সুমন ও মনিরুল হক চৌধুরী জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন টেকনোক্রেট মন্ত্রী, মো. মোস্তাক মিয়া ও মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ব্যক্তি হিসেবে প্রশাসক হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বিভিন্ন পদে পাঁচ নেতার মধ্যে চার নেতাই তাঁদের অনুসারীদের বিভিন্ন পদ পদবিতে স্থান দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাঁরা কেউ কেউ বিতর্কিত ও সমালোচিত ব্যক্তিদেরও স্থান দিচ্ছেন। এতে করে সংশ্লিষ্ট নেতাদের অনুসারীরা তাঁদের ওপর ক্ষুব্ধ।
নগরের ধর্মসাগর পাড় এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার যদি স্থানান্তর করা হয়, তাহলে বর্তমানে চলমান ও শেষ পর্যায়ে থাকা শত শত কোটি টাকার প্রকল্পের কি হবে?
ওই ব্যক্তি আরও বলেন, কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ইউটার্ন, ওভারপাস তৈরি, কুমিল্লা-ঢাকা নতুন রেললাইন স্থাপন, নতুন কারাগার স্থাপন, কুমিল্লা ইপিজেডের বর্জ্য অপসারণ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কুমিল্লা বিভাগ ও কুমিল্লা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এ জেলার বাসিন্দাদের মূল দাবি। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে হাজার হাজার কোটি টাকা লাগবে। প্রকল্পগুলো নিয়ে পাঁচ নেতা একসঙ্গে বসেননি। যে যার মতো করে বক্তৃতা দিচ্ছেন। ভিডিও করে অনুসারীদের দিয়ে বক্তব্য ছাড়ছেন। অগোছালো এইসব উদ্যোগ বর্তমান সরকারের সময়ে আলোর মুখ দেখবে কিনা তা নিয়ে সংশয় আছে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, ‘কুমিল্লা বিভাগ, কুমিল্লা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও সদর হাসপাতালে শয্যা বাড়ানো আমার প্রধান লক্ষ্য। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সব কাজ হবে।’
এদিকে কুমিল্লা নগর ভবনের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, এতদিনে নগর ভবনের কাজ অনেক দূর এগিয়ে যেত। পাঁচজনের একজন নগর ভবন নির্মাণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে প্রশাসক মহোদয় দরপত্র আহ্বান করেছেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লার সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান বলেন, সবাই একসঙ্গে বসে উন্নয়নের রূপরেখা ঠিক করলে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে।