নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় অভিযুক্ত বহিষ্কৃত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধান (২৮) কে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁকে কুমিল্লার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আদালত পুলিশের পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালতে হাজির করার সময় জিসানের মাথায় হেলমেট এবং পরনে পুলিশি নিরাপত্তা ভেস্ট ছিল।
জিসানের আইনজীবী মনির হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে কারা হাসপাতালে রাখার আবেদন করা হয়েছে। তবে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আরো বলেন, পুলিশ জিসানের সঙ্গে আইনজীবীদের কথা বলতে দেয়নি।
এর আগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর গত শুক্রবার (১৩ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে জিসানকে উদ্ধারের দাবি করে তার পরিবার। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জিসানকে উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর শুক্রবার রাতে এক নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিসানসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অভিযোগে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং ভ্রূণ নষ্ট করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে চার দিন পর ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সুস্থ বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ছাড়পত্র দেন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় গত শুক্রবার রাতে| কিন্তু ওই ছাত্রশিবির নেতা নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এত দিন| এ জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে প্রেরণ করেনি পুলিশ| যদিও যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, জিসান পুরোপুরি ‘সুস্থ’ আছেন|
এমন পরিস্থিতিতে জিসান প্রকৃতপক্ষে অসুস্থ কি না, সেটি জানতে গত রোববার চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ| গতকাল সোমবার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা জিসান মিয়া প্রধানের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে বসেন| এতে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা জিসানের শারীরিক অবস্থা ‘ভালো’ বা ‘সুস্থ’ দেখে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন দেন| এর ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে|
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করে জিসান মিয়া সুস্থ বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন| পরে গতকাল দুপুর ১২টায় তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে|
ঘটনার পর থেকে পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে বিয়ে এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন জিসান| এরপর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার হয়ে চিকিৎসার জন্য আসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে| কিন্তু এতে শেষ রক্ষা হয়নি| হাসপাতালে থাকা অবস্থার মধ্যেই ওই নারীর করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়|
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়| পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়| পুলিশের ভাষ্য, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি আত্মগোপনে ছিলেন|
জেলা পুলিশ জানায়, ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন| জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাঁকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে| অনুসন্ধানকালে পুলিশ জানতে পারে, কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা নারীর (২৫) সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে| প্রেমের সম্পর্কের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জিসান ওই নারীকে ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন এবং একপর্যায়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়| পরে ওই তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দেন| তবে বিয়ে এড়াতে ১১ জুন রাতেই তিনি নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে চলে যান| নিখোঁজের অনুসন্ধান চলাকালে গত শুক্রবার রাতে লাকসাম এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় অভিযুক্ত বহিষ্কৃত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধান (২৮) কে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁকে কুমিল্লার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আদালত পুলিশের পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালতে হাজির করার সময় জিসানের মাথায় হেলমেট এবং পরনে পুলিশি নিরাপত্তা ভেস্ট ছিল।
জিসানের আইনজীবী মনির হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে কারা হাসপাতালে রাখার আবেদন করা হয়েছে। তবে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আরো বলেন, পুলিশ জিসানের সঙ্গে আইনজীবীদের কথা বলতে দেয়নি।
এর আগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর গত শুক্রবার (১৩ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে জিসানকে উদ্ধারের দাবি করে তার পরিবার। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জিসানকে উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর শুক্রবার রাতে এক নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিসানসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অভিযোগে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং ভ্রূণ নষ্ট করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে চার দিন পর ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সুস্থ বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ছাড়পত্র দেন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় গত শুক্রবার রাতে| কিন্তু ওই ছাত্রশিবির নেতা নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এত দিন| এ জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে প্রেরণ করেনি পুলিশ| যদিও যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, জিসান পুরোপুরি ‘সুস্থ’ আছেন|
এমন পরিস্থিতিতে জিসান প্রকৃতপক্ষে অসুস্থ কি না, সেটি জানতে গত রোববার চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ| গতকাল সোমবার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা জিসান মিয়া প্রধানের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে বসেন| এতে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা জিসানের শারীরিক অবস্থা ‘ভালো’ বা ‘সুস্থ’ দেখে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন দেন| এর ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে|
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করে জিসান মিয়া সুস্থ বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন| পরে গতকাল দুপুর ১২টায় তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে|
ঘটনার পর থেকে পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে বিয়ে এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন জিসান| এরপর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার হয়ে চিকিৎসার জন্য আসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে| কিন্তু এতে শেষ রক্ষা হয়নি| হাসপাতালে থাকা অবস্থার মধ্যেই ওই নারীর করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়|
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়| পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়| পুলিশের ভাষ্য, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি আত্মগোপনে ছিলেন|
জেলা পুলিশ জানায়, ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন| জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাঁকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে| অনুসন্ধানকালে পুলিশ জানতে পারে, কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা নারীর (২৫) সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে| প্রেমের সম্পর্কের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জিসান ওই নারীকে ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন এবং একপর্যায়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়| পরে ওই তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দেন| তবে বিয়ে এড়াতে ১১ জুন রাতেই তিনি নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে চলে যান| নিখোঁজের অনুসন্ধান চলাকালে গত শুক্রবার রাতে লাকসাম এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।