নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশের মতো কুমিল্লাতেও আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। ১১ দিনব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে ১০ মে পর্যন্ত। এ সময়ে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা এক ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা পাবে।
জেলা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় কুমিল্লায় মোট ৭ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা পাবে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪৮ জন শিশু।
তিনি আরও জানান, স্কুলভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম চলবে তিন দিন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকাদান চলবে আট দিন। কোনো শিশু অসুস্থ থাকলে সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এজন্য অভিভাবকদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
জেলায় ১৭টি উপজেলার ১৯৬টি ইউনিয়নের ৫৮৮টি ওয়ার্ডে এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ হাজার ৮৪৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ১৮টি স্থায়ী কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা সারোয়ার আকবর, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাকারিয়া মাহমুদ, ডব্লিউএইচওর সার্ভিল্যান্স অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার সাবিজা ইয়াসমিন এবং জেলা ইপিআই সুপারভাইজার গোলাম ফারুক।
এ সময় টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

সারা দেশের মতো কুমিল্লাতেও আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। ১১ দিনব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে ১০ মে পর্যন্ত। এ সময়ে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা এক ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা পাবে।
জেলা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় কুমিল্লায় মোট ৭ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা পাবে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪৮ জন শিশু।
তিনি আরও জানান, স্কুলভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম চলবে তিন দিন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকাদান চলবে আট দিন। কোনো শিশু অসুস্থ থাকলে সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এজন্য অভিভাবকদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
জেলায় ১৭টি উপজেলার ১৯৬টি ইউনিয়নের ৫৮৮টি ওয়ার্ডে এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ হাজার ৮৪৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ১৮টি স্থায়ী কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা সারোয়ার আকবর, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাকারিয়া মাহমুদ, ডব্লিউএইচওর সার্ভিল্যান্স অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার সাবিজা ইয়াসমিন এবং জেলা ইপিআই সুপারভাইজার গোলাম ফারুক।
এ সময় টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।