দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ৬ হাজার পিস আতশবাজিসহ শরিফ মিয়া নামে এক পাচারকারীকে সিএনজি অটোরিকশাসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা দায়ের করে আজ দুপুরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদিপ্ত শাহীনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেবীদ্বার উপজেলার ইউছুফপুর সড়কের এগারগ্রাম কলাবাগান সংলগ্নে একটি সিএনজিতে থাকা দু’টি বস্তা ভর্তি ৬ হাজার পিস আতশবাজিসহ সিএনজি চালক মো. শরিফ মিয়াকে আটক করেন।
আটক মো. শরিফ মিয়া (৩০) মুরাদনগর উপজেলার গুঞ্জর গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। শরিফ পেশায় একজন সিএনজি চালক এবং বেশী ভাড়ায় ভারত সীমান্ত থেকে বিভিন্ন অবৈধভাবে চোরাই মালামাল মালিক পক্ষের কাছে পৌঁছে দেন।
আটক মো. শরিফ মিয়া জানান, তিনি ১ হাজার থেকে ঝুঁকি বুঝে ২/৩ হাজার টাকায় ভাড়ায় অবৈধভাবে চোরাই মালামাল মালিক পক্ষের কাছে পৌঁছে দেন।
তিনি আরও জানান, তার মতো আরো কয়েকজন এসব কাজে যুক্ত রয়েছেন। তারা ভারতের সীমান্ত এলাকার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল বর্ডার থেকে মাদক সহ বিভিন্ন মালামাল অতিরিক্ত ভাড়ায় পাচার করেন।
তিনি আরও জানান, গত সোমবার ৬ বস্তায় ১৮ হাজার পিস বাজি মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আলম মিয়ার দোকানে পৌঁছে দেই, গতকাল ১ হাজার টাকায় ভাড়ায় ২ বস্তা নিতে যেয়ে আটক হই।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ হাজার পিস আতশবাজিসহ চালক ও সিএনজিটি আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা আতশবাজির বাজার মূল্য প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এব্যাপারে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের পূর্বক আজ বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ৬ হাজার পিস আতশবাজিসহ শরিফ মিয়া নামে এক পাচারকারীকে সিএনজি অটোরিকশাসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা দায়ের করে আজ দুপুরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদিপ্ত শাহীনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেবীদ্বার উপজেলার ইউছুফপুর সড়কের এগারগ্রাম কলাবাগান সংলগ্নে একটি সিএনজিতে থাকা দু’টি বস্তা ভর্তি ৬ হাজার পিস আতশবাজিসহ সিএনজি চালক মো. শরিফ মিয়াকে আটক করেন।
আটক মো. শরিফ মিয়া (৩০) মুরাদনগর উপজেলার গুঞ্জর গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। শরিফ পেশায় একজন সিএনজি চালক এবং বেশী ভাড়ায় ভারত সীমান্ত থেকে বিভিন্ন অবৈধভাবে চোরাই মালামাল মালিক পক্ষের কাছে পৌঁছে দেন।
আটক মো. শরিফ মিয়া জানান, তিনি ১ হাজার থেকে ঝুঁকি বুঝে ২/৩ হাজার টাকায় ভাড়ায় অবৈধভাবে চোরাই মালামাল মালিক পক্ষের কাছে পৌঁছে দেন।
তিনি আরও জানান, তার মতো আরো কয়েকজন এসব কাজে যুক্ত রয়েছেন। তারা ভারতের সীমান্ত এলাকার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল বর্ডার থেকে মাদক সহ বিভিন্ন মালামাল অতিরিক্ত ভাড়ায় পাচার করেন।
তিনি আরও জানান, গত সোমবার ৬ বস্তায় ১৮ হাজার পিস বাজি মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আলম মিয়ার দোকানে পৌঁছে দেই, গতকাল ১ হাজার টাকায় ভাড়ায় ২ বস্তা নিতে যেয়ে আটক হই।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ হাজার পিস আতশবাজিসহ চালক ও সিএনজিটি আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা আতশবাজির বাজার মূল্য প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এব্যাপারে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের পূর্বক আজ বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।