নিজস্ব প্রতিবেদক

ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ‘লং মার্চ’ কুমিল্লা পার হয়েছে। কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে আজ শনিবার বেলা একটা ৩০ মিনিটে পথসভা করে কিছুক্ষণ আগে লং মার্চ ফেনীর মহিপাল হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ঐক্য জোটের নেতারা বলেছেন, আমরা এখনই সরকারের পতন চাই না। আমরা গ্যাস বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান চাই।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে ওয়াদা লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। মানুষ গ্যাস ও বিদ্যুৎ পায় না। এই সমস্যা দূর করতে হবে।
পদুয়ার বাজারের পথসভায় জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ সরকারের পদত্যাগ বা সরকার পতনের আন্দোলন নয়। এটি সরকারের জন্য ‘ওয়েক-আপ কল’ বলে মন্তব্য করেছেন
বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. তাহের বলেন, এই মুহূর্তে আমরা সংসদে এবং সংসদের বাইরে যে লং মার্চ বা আন্দোলনে আছি তা সরকারের পদত্যাগ বা সরকারপতনের আন্দোলন নয়, এটা সরকারের জন্য ওয়েক-আপ কল।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য তাহের বলেন, জনগণের চাহিদা এবং দাবি জানাতেই এই আন্দোলন। আমরা আশা করব এই আন্দোলনের পর সরকারের বোধোদয় হবে। সমস্যা সমাধানে তারা যৌক্তিক পরিকল্পনা করবে।
কুমিল্লায় এ পথসভার শুরুতে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওনালা মামুনুল হক, নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
এর আগে সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশের পর সোয়া ৮টায় লং মার্চের গাড়িবহর চট্টগ্রামের পথ ধরে।
পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাক স্ট্যান্ড পথসভা হয়। কুমিল্লার পরে ফেনীর মহীপাল এবং মীরসরাইয়ে পথসভা হবে বলেও আয়োজকরা জানিয়েছেন। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শেষ হবে।
গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ ও মহাসমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন জোটের শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবারের পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে (রেলপথে) লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ‘লং মার্চ’ কুমিল্লা পার হয়েছে। কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে আজ শনিবার বেলা একটা ৩০ মিনিটে পথসভা করে কিছুক্ষণ আগে লং মার্চ ফেনীর মহিপাল হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ঐক্য জোটের নেতারা বলেছেন, আমরা এখনই সরকারের পতন চাই না। আমরা গ্যাস বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান চাই।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে ওয়াদা লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। মানুষ গ্যাস ও বিদ্যুৎ পায় না। এই সমস্যা দূর করতে হবে।
পদুয়ার বাজারের পথসভায় জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ সরকারের পদত্যাগ বা সরকার পতনের আন্দোলন নয়। এটি সরকারের জন্য ‘ওয়েক-আপ কল’ বলে মন্তব্য করেছেন
বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. তাহের বলেন, এই মুহূর্তে আমরা সংসদে এবং সংসদের বাইরে যে লং মার্চ বা আন্দোলনে আছি তা সরকারের পদত্যাগ বা সরকারপতনের আন্দোলন নয়, এটা সরকারের জন্য ওয়েক-আপ কল।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য তাহের বলেন, জনগণের চাহিদা এবং দাবি জানাতেই এই আন্দোলন। আমরা আশা করব এই আন্দোলনের পর সরকারের বোধোদয় হবে। সমস্যা সমাধানে তারা যৌক্তিক পরিকল্পনা করবে।
কুমিল্লায় এ পথসভার শুরুতে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওনালা মামুনুল হক, নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
এর আগে সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশের পর সোয়া ৮টায় লং মার্চের গাড়িবহর চট্টগ্রামের পথ ধরে।
পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাক স্ট্যান্ড পথসভা হয়। কুমিল্লার পরে ফেনীর মহীপাল এবং মীরসরাইয়ে পথসভা হবে বলেও আয়োজকরা জানিয়েছেন। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শেষ হবে।
গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ ও মহাসমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন জোটের শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবারের পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে (রেলপথে) লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।