চান্দিনায় নিখোঁজের ৩ মাসেও সন্ধান মেলেনি
চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনায় নিখোঁজের ৩ মাস অতিবাহিত হলেও সন্ধান মেলেনি রাসেল মুন্সী (২৭) নামের এক যুবকের। তিনি উপজেলা সদরের মহারং মুন্সী বাড়ির মনিরুল ইসলাম মুন্সীর বড় ছেলে। গত বছরের ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পান পরিবারের সদস্যরা। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে রাসেলের কোন সন্ধান না পেয়ে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর রাসেল মুন্সীর ছোট ভাই মাসুদ রানা চান্দিনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে ওই বিষয়ে চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ তিন মাসেও রাসেলের সন্ধান না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
আজ শনিবার বিকেলে চান্দিনা থানার প্রধান ফটকের সামনে ওই যুবকের সন্ধান চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে তাঁর পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসী। এ সময় তার মা-বাবা, স্ত্রী, একমাত্র কন্যা ও ভাই-বোনসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিল। বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে নিখোঁজ রাসেল মুন্সী কোথায় আছে, বেঁচে আছে না মারা গেছে ? এসব বিষয় প্রশাসনের কাছে জবাব চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় গেছে, ওই ঘটনায় চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়েরের পর পাশ্ববর্তী বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে রাসেল মুন্সীর ব্যবহৃত ব্যাগ, আতর এবং ঘরের মেঝে ও দেয়ালে রক্তের দাগ পায় পুলিশ। ওইদিন সিআইডি’র সহযোগিতায় আলামত সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্ট এর জন্য ল্যাবে প্রেরণ করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাসেলের ঘনিষ্ঠ তিনজনকে আটক করেছিলো পুলিশ। পরে সন্দেহভাজন আরও একজনকে আটক করা হয়। তাঁদের ওই মামলার গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পৃথক সময়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। তবে রিমান্ডে আসামিদের কাছ থেকে নিখোঁজ রাসেল মুন্সী সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়নি পুলিশ।
জানতে চাইলে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ পর্যন্ত আমরা চারজন আসামিতে গ্রেপ্তার করেছি এবং রিমান্ডেও নিয়েছি। তবে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। ডিএনএ রিপোর্ট আসলে মামলাটির দ্রুত অগ্রগতি হবে। আশা করি রাসেল মুন্সীকে জীবিত উদ্ধার করতে পারবো।

কুমিল্লার চান্দিনায় নিখোঁজের ৩ মাস অতিবাহিত হলেও সন্ধান মেলেনি রাসেল মুন্সী (২৭) নামের এক যুবকের। তিনি উপজেলা সদরের মহারং মুন্সী বাড়ির মনিরুল ইসলাম মুন্সীর বড় ছেলে। গত বছরের ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পান পরিবারের সদস্যরা। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে রাসেলের কোন সন্ধান না পেয়ে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর রাসেল মুন্সীর ছোট ভাই মাসুদ রানা চান্দিনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে ওই বিষয়ে চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ তিন মাসেও রাসেলের সন্ধান না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
আজ শনিবার বিকেলে চান্দিনা থানার প্রধান ফটকের সামনে ওই যুবকের সন্ধান চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে তাঁর পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসী। এ সময় তার মা-বাবা, স্ত্রী, একমাত্র কন্যা ও ভাই-বোনসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিল। বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে নিখোঁজ রাসেল মুন্সী কোথায় আছে, বেঁচে আছে না মারা গেছে ? এসব বিষয় প্রশাসনের কাছে জবাব চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় গেছে, ওই ঘটনায় চান্দিনা থানায় অপহরণ মামলা দায়েরের পর পাশ্ববর্তী বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে রাসেল মুন্সীর ব্যবহৃত ব্যাগ, আতর এবং ঘরের মেঝে ও দেয়ালে রক্তের দাগ পায় পুলিশ। ওইদিন সিআইডি’র সহযোগিতায় আলামত সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্ট এর জন্য ল্যাবে প্রেরণ করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাসেলের ঘনিষ্ঠ তিনজনকে আটক করেছিলো পুলিশ। পরে সন্দেহভাজন আরও একজনকে আটক করা হয়। তাঁদের ওই মামলার গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পৃথক সময়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। তবে রিমান্ডে আসামিদের কাছ থেকে নিখোঁজ রাসেল মুন্সী সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়নি পুলিশ।
জানতে চাইলে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ পর্যন্ত আমরা চারজন আসামিতে গ্রেপ্তার করেছি এবং রিমান্ডেও নিয়েছি। তবে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। ডিএনএ রিপোর্ট আসলে মামলাটির দ্রুত অগ্রগতি হবে। আশা করি রাসেল মুন্সীকে জীবিত উদ্ধার করতে পারবো।