দুর্ভোগে ৬ গ্রামের মানুষ
আবু সাঈদ, চান্দিনা
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর-মাইজখার আঞ্চলিক সড়কের মাত্র দেড় কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সংস্কারের অভাবে শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা-পানিতে চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। এতে ৬ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব মাইজখার মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে আলীকামোড়া পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এবং চিলোড়া বাশার হুজুরের বাড়ির পূর্ব পাশ থেকে চিলোড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক কয়েক বছর আগে ইটের সলিং করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি স্থানে পুকুর ও মাছের প্রকল্পের পাড় হিসেবে ব্যবহারের কারণে সড়কের অংশবিশেষ ভেঙে গেছে।

এই সড়ক দিয়ে মাইজখার, পূর্ব অম্বরপুর, চিলোড়া, আলীকামোড়া, এওয়াজবন্দ, ফাঐসহ আশপাশের গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। উত্তর আলীকামোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিলোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এওয়াজবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফাঐ এএমএফ উচ্চ বিদ্যালয়, চিলোড়া-পূর্ব অম্বরপুর কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্ব মাইজখার মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও বদরপুর নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া চান্দিনা ও কুমিল্লার বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও এ পথে যাতায়াত করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমার টাইলস ও স্যানিটারি পণ্যের ব্যবসা রয়েছে। এ সড়ক দিয়ে মালামাল আনতে গিয়ে প্রায়ই পণ্য ভেঙে যায়। এতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয়ই ক্ষতির মুখে পড়েন। মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়কের জন্য এমন দুর্ভোগ মেনে নেওয়া যায় না।’
পিকআপ চালক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এই সামান্য সড়কের কারণে আমরা বছরের পর বছর ভোগান্তি পোহাচ্ছি। আশপাশের অনেক সড়ক পাকা হলেও এটি এখনো সংস্কার হয়নি।’
সিএনজি অটোরিকশা চালক সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘একদিন গাড়ি চালানোর পরই গ্যারেজে নিয়ে মেরামত করতে হয়। রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ।’
পথচারী মামুন মিয়া বলেন, ‘মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়কের কারণে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। দ্রুত এটি পাকা করা প্রয়োজন।’
অটোরিকশা চালক আলম মিয়া বলেন, ‘বড় বড় গর্তের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। অনেক সময় যানবাহন উল্টেও যায়।’
মোটরসাইকেল চালক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের এমন বেহাল অবস্থা দুঃখজনক। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা উচিত।’
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মাদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কটির উন্নয়নকাজের জন্য আটবার দরপত্র আহ্বান করা হলেও উপযুক্ত ঠিকাদার অংশগ্রহণ না করায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পুনরায় প্রাক্কলন তৈরি করে প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রধান কার্যালয় থেকে নেওয়া হবে।’
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর-মাইজখার আঞ্চলিক সড়কের মাত্র দেড় কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সংস্কারের অভাবে শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা-পানিতে চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। এতে ৬ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব মাইজখার মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে আলীকামোড়া পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এবং চিলোড়া বাশার হুজুরের বাড়ির পূর্ব পাশ থেকে চিলোড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক কয়েক বছর আগে ইটের সলিং করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি স্থানে পুকুর ও মাছের প্রকল্পের পাড় হিসেবে ব্যবহারের কারণে সড়কের অংশবিশেষ ভেঙে গেছে।

এই সড়ক দিয়ে মাইজখার, পূর্ব অম্বরপুর, চিলোড়া, আলীকামোড়া, এওয়াজবন্দ, ফাঐসহ আশপাশের গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। উত্তর আলীকামোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিলোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এওয়াজবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফাঐ এএমএফ উচ্চ বিদ্যালয়, চিলোড়া-পূর্ব অম্বরপুর কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্ব মাইজখার মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও বদরপুর নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া চান্দিনা ও কুমিল্লার বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও এ পথে যাতায়াত করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমার টাইলস ও স্যানিটারি পণ্যের ব্যবসা রয়েছে। এ সড়ক দিয়ে মালামাল আনতে গিয়ে প্রায়ই পণ্য ভেঙে যায়। এতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয়ই ক্ষতির মুখে পড়েন। মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়কের জন্য এমন দুর্ভোগ মেনে নেওয়া যায় না।’
পিকআপ চালক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এই সামান্য সড়কের কারণে আমরা বছরের পর বছর ভোগান্তি পোহাচ্ছি। আশপাশের অনেক সড়ক পাকা হলেও এটি এখনো সংস্কার হয়নি।’
সিএনজি অটোরিকশা চালক সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘একদিন গাড়ি চালানোর পরই গ্যারেজে নিয়ে মেরামত করতে হয়। রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ।’
পথচারী মামুন মিয়া বলেন, ‘মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়কের কারণে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। দ্রুত এটি পাকা করা প্রয়োজন।’
অটোরিকশা চালক আলম মিয়া বলেন, ‘বড় বড় গর্তের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। অনেক সময় যানবাহন উল্টেও যায়।’
মোটরসাইকেল চালক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের এমন বেহাল অবস্থা দুঃখজনক। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা উচিত।’
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মাদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কটির উন্নয়নকাজের জন্য আটবার দরপত্র আহ্বান করা হলেও উপযুক্ত ঠিকাদার অংশগ্রহণ না করায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পুনরায় প্রাক্কলন তৈরি করে প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রধান কার্যালয় থেকে নেওয়া হবে।’