কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা)
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ স্বস্তিতে নেই। বিএনপির বেশিরভাগ পদবিধারী নেতা ও দলীয় কর্মীরা দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র কলস প্রতীকের প্রার্থী আতিকুল আলম শাওনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন। দলের বহিষ্কারাদেশও তাঁদের দমাতে পারছে না। শাওনের পক্ষে পুরো নির্বাচনী এলাকায় গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রেদোয়ান আটবার এ আসনে নির্বাচন করছেন।
আতিকুল আলম শাওন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় দল সম্প্রতি তাঁকে বহিষ্কার করে। শাওন কুমিল্লা উত্তর জেলা ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত খোরশেদ আলমের ছেলে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরের নথি থেকে জানা গেছে, ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ ১৯ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন। ১৯৮৬ সালের ৭ মে রেদোয়ান জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থী রেদোয়ান ৫৪৮ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান ৩৬৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান ৮৭ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রেদোয়ান লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি থেকে নির্বাচন করে মাত্র ১৪ হাজার ২৭৬ ভোট পান। ওই নির্বাচনে তিনি তৃতীয় হন। বিএনপির প্রার্থী খোরশেদ আলম ৫ হাজার ৫০৭ ভোটে পরাজিত হন। ভোটের দিন বেলা ১১ টায় নির্বাচন থেকে না সরলে ওই নির্বাচনে খোরশেদ আলম জয়ী হতেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে রেদোয়ান আহমেদ এলডিপি থেকে ১৫ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়েছেন। এ পর্যন্ত আটটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন রেদোয়ান আহমেদ। এবার আবার তিনি বিএনপি থেকে আবারও প্রার্থী হয়েছেন।
বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর রেদোয়ান আহমেদের অনুসারীরা চান্দিনায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘরে হামলা, লুটপাট করে। রেদোয়ান ওই সময়ে সরকারি টাকা দিয়ে সড়ক করেন নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে। চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ফাউন্ডেশনের নামে কয়েকজন শিক্ষককে হয়রানিরও অভিযোগ উঠেছে। নিজের প্রয়োজনে রেদোয়ান দলবদল করেন বারবার। এই কারণে দলের নেতাকর্মীরা এবার তাঁর পক্ষে নেই। ২৫ বছর পর তিনি আবার বিএনপির সুসময় মনে করে দলে ফিরেছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন বলেন, রেদোয়ান আহমেদ ২০০১ সালের নির্বাচনের পর প্রতিমন্ত্রী হন। মন্ত্রীত্ব হারানোর পর তিনি বিএনপিতে ছিলেন না। বিএনপিকে ফেলে তিনি এলডিপি করেন। তাঁর সঙ্গে বিএনপির কারও যোগাযোগ নেই। দলের নেতাকর্মীরা মামলা খেয়েছে। আমরা দেখেছি। উনি আমাদের পাশে ছিলেন না। এখন নেতাকর্মীরা উনারে ভোট দিতে চায় না। আমারে চায়। এই কারণে অস্বস্তিতে আছেন।
ডিগবাজি ও দল বদলে পটু রেদোয়ান: রেদোয়ান এ পর্যন্ত আটবার নির্বাচন করছেন। বিএনপি থেকে চারবার নির্বাচন করছেন। দুইবার জিতেছেন। একবার সামান্য ভোটে (৩৬৬) হেরেছেন। এবার ভোট হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি। এলডিপি থেকে দুইবার নির্বাচন করে দুইবারই নূন্যতম ভোট পেয়ে জামানাত হারান। জাতীয় পার্টি থেকে একবার ও স্বতন্ত্র থেকে একবার ভোট করে জয়ী হন।
রেদোয়ান আহমেদ বলেন, বিএনপির ৮০ ভাগ নেতাকর্মী আমার সৃষ্টি। বর্তমানে কমিটিগুলোতে ওদের ( শাওন) লোক। এরপরেও আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। নির্বাচনে জয়ী হব।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ স্বস্তিতে নেই। বিএনপির বেশিরভাগ পদবিধারী নেতা ও দলীয় কর্মীরা দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র কলস প্রতীকের প্রার্থী আতিকুল আলম শাওনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন। দলের বহিষ্কারাদেশও তাঁদের দমাতে পারছে না। শাওনের পক্ষে পুরো নির্বাচনী এলাকায় গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রেদোয়ান আটবার এ আসনে নির্বাচন করছেন।
আতিকুল আলম শাওন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় দল সম্প্রতি তাঁকে বহিষ্কার করে। শাওন কুমিল্লা উত্তর জেলা ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত খোরশেদ আলমের ছেলে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরের নথি থেকে জানা গেছে, ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ ১৯ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন। ১৯৮৬ সালের ৭ মে রেদোয়ান জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থী রেদোয়ান ৫৪৮ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান ৩৬৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান ৮৭ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রেদোয়ান লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি থেকে নির্বাচন করে মাত্র ১৪ হাজার ২৭৬ ভোট পান। ওই নির্বাচনে তিনি তৃতীয় হন। বিএনপির প্রার্থী খোরশেদ আলম ৫ হাজার ৫০৭ ভোটে পরাজিত হন। ভোটের দিন বেলা ১১ টায় নির্বাচন থেকে না সরলে ওই নির্বাচনে খোরশেদ আলম জয়ী হতেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে রেদোয়ান আহমেদ এলডিপি থেকে ১৫ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়েছেন। এ পর্যন্ত আটটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন রেদোয়ান আহমেদ। এবার আবার তিনি বিএনপি থেকে আবারও প্রার্থী হয়েছেন।
বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর রেদোয়ান আহমেদের অনুসারীরা চান্দিনায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘরে হামলা, লুটপাট করে। রেদোয়ান ওই সময়ে সরকারি টাকা দিয়ে সড়ক করেন নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে। চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ফাউন্ডেশনের নামে কয়েকজন শিক্ষককে হয়রানিরও অভিযোগ উঠেছে। নিজের প্রয়োজনে রেদোয়ান দলবদল করেন বারবার। এই কারণে দলের নেতাকর্মীরা এবার তাঁর পক্ষে নেই। ২৫ বছর পর তিনি আবার বিএনপির সুসময় মনে করে দলে ফিরেছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন বলেন, রেদোয়ান আহমেদ ২০০১ সালের নির্বাচনের পর প্রতিমন্ত্রী হন। মন্ত্রীত্ব হারানোর পর তিনি বিএনপিতে ছিলেন না। বিএনপিকে ফেলে তিনি এলডিপি করেন। তাঁর সঙ্গে বিএনপির কারও যোগাযোগ নেই। দলের নেতাকর্মীরা মামলা খেয়েছে। আমরা দেখেছি। উনি আমাদের পাশে ছিলেন না। এখন নেতাকর্মীরা উনারে ভোট দিতে চায় না। আমারে চায়। এই কারণে অস্বস্তিতে আছেন।
ডিগবাজি ও দল বদলে পটু রেদোয়ান: রেদোয়ান এ পর্যন্ত আটবার নির্বাচন করছেন। বিএনপি থেকে চারবার নির্বাচন করছেন। দুইবার জিতেছেন। একবার সামান্য ভোটে (৩৬৬) হেরেছেন। এবার ভোট হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি। এলডিপি থেকে দুইবার নির্বাচন করে দুইবারই নূন্যতম ভোট পেয়ে জামানাত হারান। জাতীয় পার্টি থেকে একবার ও স্বতন্ত্র থেকে একবার ভোট করে জয়ী হন।
রেদোয়ান আহমেদ বলেন, বিএনপির ৮০ ভাগ নেতাকর্মী আমার সৃষ্টি। বর্তমানে কমিটিগুলোতে ওদের ( শাওন) লোক। এরপরেও আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। নির্বাচনে জয়ী হব।