চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে ছিলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মেয়ে সুমাইয়া জাহান প্রমি (২২)। তিনি উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের ঝাটিয়ারখীল গ্রামের কুয়েত প্রবাসী ওমর ফারুকের দ্বিতীয় মেয়ে। তাঁর স্বপ্ন ছিল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু বিয়ের মাত্র দুই বছরের মাথায় সেই স্বপ্ন এখন নিথর দেহ হয়ে কবরে।
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার পূর্ব শহিদনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে এই নারী উদ্যোক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রমির বড় বোন সাজেদা আক্তারের দাবি, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা নয়। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রমির মরদেহটি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত থাকলেও পা দুটি খাটের ওপর হাঁটু গেড়ে ছিল। ঘরের ভেতর কোনো চেয়ার বা টেবিল ছিল না, যা ব্যবহার করে কেউ ঝুলে পড়তে পারে। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার রাতে স্বামী আনাস ঘড়ি পরা অবস্থায় ঘরে ঢুকলেও বের হওয়ার সময় তাঁর হাতে ঘড়ি ছিল না। পরে ঘরের ভেতর ভাঙা অবস্থায় ঘড়িটি পাওয়া যায়, যা ধস্তাধস্তির ইঙ্গিত দেয়।
২০২২ সালের শুরুর দিকে অনলাইনে পরিচয়ের সূত্রে সাতকানিয়ার আব্দুল করিমের ছেলে আনাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রমির। পরিবারের অমতে ওই বছরের মার্চে তাঁরা বিয়ে করেন। প্রমির পরিবার জানায়, শুরুতে অমত থাকলেও পরে মেয়ের সুখের কথা ভেবে আড়াই লাখ টাকার আসবাবপত্র ও সোয়া দুই ভরি স্বর্ণালংকার দেওয়া হয়। এমনকি প্রমির অনলাইন ব্যবসার আয় থেকেই আনাসকে একটি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল কিনে দেওয়া হয়েছিল।
সাজেদা আক্তার বলেন, ‘বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই আনাস টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সে আরও ৭ লাখ টাকা দাবি করে এবং দ্বিতীয় বিয়ের হুমকি দেয়। টাকা দিতে না পারায় আমার বোনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’
তরুণ এই নারী উদ্যোক্তার মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশের নারী উদ্যোক্তা সমাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রমির সহকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন সাজেদা আক্তার বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় আনাস, তার বন্ধু রিজভি, মা মারজান বেগম ও বোন নাসরিন আক্তারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক রাজিব বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছিল। প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’ গত শনিবার সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে প্রমির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে ছিলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মেয়ে সুমাইয়া জাহান প্রমি (২২)। তিনি উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের ঝাটিয়ারখীল গ্রামের কুয়েত প্রবাসী ওমর ফারুকের দ্বিতীয় মেয়ে। তাঁর স্বপ্ন ছিল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু বিয়ের মাত্র দুই বছরের মাথায় সেই স্বপ্ন এখন নিথর দেহ হয়ে কবরে।
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার পূর্ব শহিদনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে এই নারী উদ্যোক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রমির বড় বোন সাজেদা আক্তারের দাবি, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা নয়। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রমির মরদেহটি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত থাকলেও পা দুটি খাটের ওপর হাঁটু গেড়ে ছিল। ঘরের ভেতর কোনো চেয়ার বা টেবিল ছিল না, যা ব্যবহার করে কেউ ঝুলে পড়তে পারে। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার রাতে স্বামী আনাস ঘড়ি পরা অবস্থায় ঘরে ঢুকলেও বের হওয়ার সময় তাঁর হাতে ঘড়ি ছিল না। পরে ঘরের ভেতর ভাঙা অবস্থায় ঘড়িটি পাওয়া যায়, যা ধস্তাধস্তির ইঙ্গিত দেয়।
২০২২ সালের শুরুর দিকে অনলাইনে পরিচয়ের সূত্রে সাতকানিয়ার আব্দুল করিমের ছেলে আনাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রমির। পরিবারের অমতে ওই বছরের মার্চে তাঁরা বিয়ে করেন। প্রমির পরিবার জানায়, শুরুতে অমত থাকলেও পরে মেয়ের সুখের কথা ভেবে আড়াই লাখ টাকার আসবাবপত্র ও সোয়া দুই ভরি স্বর্ণালংকার দেওয়া হয়। এমনকি প্রমির অনলাইন ব্যবসার আয় থেকেই আনাসকে একটি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল কিনে দেওয়া হয়েছিল।
সাজেদা আক্তার বলেন, ‘বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই আনাস টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সে আরও ৭ লাখ টাকা দাবি করে এবং দ্বিতীয় বিয়ের হুমকি দেয়। টাকা দিতে না পারায় আমার বোনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’
তরুণ এই নারী উদ্যোক্তার মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশের নারী উদ্যোক্তা সমাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রমির সহকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন সাজেদা আক্তার বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় আনাস, তার বন্ধু রিজভি, মা মারজান বেগম ও বোন নাসরিন আক্তারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক রাজিব বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছিল। প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’ গত শনিবার সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে প্রমির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।