নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা মো. মনজুর কাদের মনি জেলে। গত বৃহস্পতিবার একটি মামলায় কুমিল্লার আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পন ও জামিন চান। আদালতের বিচারক কামরুল হাসান তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
মো. মনজুর কাদের মনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১০নং ওয়ার্ডের টানা তিনবারের কাউন্সিলর। তিনি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২, ২০১৭ ও ২০২২ সালে তিনি কাউন্সিলর হন। তাঁর বাসা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের দক্ষিণ পাশে। ২০১২ ও ২০১৭ সালে তিনি স্বতন্ত্র কাউন্সিলর হন। ২০২২ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে কাউন্সিলর হতে হয়।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়ের করা চারটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটিসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। হাইকোর্ট থেকে তিনি পাঁচটি মামলায় জামিনে ছিলেন। চারটি মামলায় নিম্ন আদালত জামিন দিলেও জিআর ৬৪৩নং মামলায় জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন গত বৃহস্পতিবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা মো. মনজুর কাদের মনি জেলে। গত বৃহস্পতিবার একটি মামলায় কুমিল্লার আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পন ও জামিন চান। আদালতের বিচারক কামরুল হাসান তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
মো. মনজুর কাদের মনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১০নং ওয়ার্ডের টানা তিনবারের কাউন্সিলর। তিনি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২, ২০১৭ ও ২০২২ সালে তিনি কাউন্সিলর হন। তাঁর বাসা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের দক্ষিণ পাশে। ২০১২ ও ২০১৭ সালে তিনি স্বতন্ত্র কাউন্সিলর হন। ২০২২ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে কাউন্সিলর হতে হয়।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়ের করা চারটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটিসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। হাইকোর্ট থেকে তিনি পাঁচটি মামলায় জামিনে ছিলেন। চারটি মামলায় নিম্ন আদালত জামিন দিলেও জিআর ৬৪৩নং মামলায় জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন গত বৃহস্পতিবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান।