বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। চার বছর পর পর আয়োজিত এই মহাযজ্ঞকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও নিজ নিজ প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি ও ব্যানার হাতে অংশ নেন শতাধিক শিক্ষার্থী। এ সময় তারা প্রিয় দল ও খেলোয়াড়দের সমর্থনে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন এবং বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাফল্য কামনা করেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল আলম বিজয় বলেন, ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে হার এবং ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় ব্যর্থতার পরও আর্জেন্টিনা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে তারা দারুণ প্রত্যাবর্তনের নজির স্থাপন করেছে।
তিনি আরও বলেন, আর্জেন্টিনা শুধু তারকা নির্ভর দল নয়; বরং সমন্বিত দলীয় পারফরম্যান্সই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনটি বিশ্বকাপ, অসংখ্য শিরোপা এবং মেসি-ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিদের কারণে দলটি ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। আশা করি এবারও তারা শিরোপা জিতবে।
মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেখতাম, আমাদের এলাকার অধিকাংশ মানুষ আর্জেন্টিনার সমর্থক। সেখান থেকেই দলটির প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং লিওনেল মেসির শৈল্পিক খেলা আমাকে আরও বেশি মুগ্ধ করে। আমার কাছে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দলীয় ঐক্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। এই টিম বন্ডিংয়ের কারণেই ২০২২ সালে তারা বিশ্বকাপ জিততে সক্ষম হয়েছিল।
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফ মাশরাফি বলেন, আর্জেন্টিনার ফুটবল এক ধরনের শিল্প। মেসি ও ম্যারাডোনার নান্দনিক ফুটবল বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত তৈরি করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও আমরা বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আশা করি এবারও বিশ্বকাপের ট্রফি আর্জেন্টিনার হাতেই উঠবে।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। চার বছর পর পর আয়োজিত এই মহাযজ্ঞকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও নিজ নিজ প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি ও ব্যানার হাতে অংশ নেন শতাধিক শিক্ষার্থী। এ সময় তারা প্রিয় দল ও খেলোয়াড়দের সমর্থনে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন এবং বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাফল্য কামনা করেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল আলম বিজয় বলেন, ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে হার এবং ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় ব্যর্থতার পরও আর্জেন্টিনা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে তারা দারুণ প্রত্যাবর্তনের নজির স্থাপন করেছে।
তিনি আরও বলেন, আর্জেন্টিনা শুধু তারকা নির্ভর দল নয়; বরং সমন্বিত দলীয় পারফরম্যান্সই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনটি বিশ্বকাপ, অসংখ্য শিরোপা এবং মেসি-ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিদের কারণে দলটি ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। আশা করি এবারও তারা শিরোপা জিতবে।
মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেখতাম, আমাদের এলাকার অধিকাংশ মানুষ আর্জেন্টিনার সমর্থক। সেখান থেকেই দলটির প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং লিওনেল মেসির শৈল্পিক খেলা আমাকে আরও বেশি মুগ্ধ করে। আমার কাছে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দলীয় ঐক্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। এই টিম বন্ডিংয়ের কারণেই ২০২২ সালে তারা বিশ্বকাপ জিততে সক্ষম হয়েছিল।
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফ মাশরাফি বলেন, আর্জেন্টিনার ফুটবল এক ধরনের শিল্প। মেসি ও ম্যারাডোনার নান্দনিক ফুটবল বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত তৈরি করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও আমরা বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আশা করি এবারও বিশ্বকাপের ট্রফি আর্জেন্টিনার হাতেই উঠবে।