কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের (২৩) ফারজানা ইসলাম ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামীসহ সাতজনকে আসামি করে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন নালমূলের ভগ্নিপতি আবদুর রহিম, বোন আফরোজা বেগম, ভাই সাইফুল আলম গতকাল সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীর বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এতে ফারজানার স্বামী নায়ামুল আলমের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন নালমূলের ভগ্নিপতি আবদুর রহিম, বোন আফরোজা বেগম, ভাই সাইফুল আলম ও তাঁর স্ত্রী সায়মা আক্তার, আরেক ভাই রাসেল ও মা রোকেয়া বেগম।
গত শনিবার রাতে ফতুল্লার ভূঁইগড় এলাকার একটি বাসা থেকে ফারজানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী নাজমুল আলমকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে গত রোববার রাতে জানাজা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাহাড়িয়াকান্দি জয়কালীপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ফারজানার মরদেহ দাফন করা হয়।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের নভেম্বরে সাত লাখ টাকা দেনমোহরে নাজমুল আলমের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। জামাতাকে বিভিন্ন সময়ে টাকা ও জিনিসপত্র দিয়ে সহায়তা করতেন। পরে আর্থিক সহায়তা কমিয়ে দিলে নাজমুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ফারজানার কাছে যৌতুক দাবি করতে থাকেন। যৌতুকের দাবিতে ফারজানাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। তিনি (বাদী) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নাজমুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন। পরে সমঝোতার মাধ্যমে ফারজানা আবার স্বামীর সঙ্গে সংসার শুরু করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, গত শনিবার বেলা তিনটার দিকে নাজমূলের ভগ্নিপতি আবদুর রহিম বাদীর ছেলে আরিফুলকে ফোন করে মামলা তোলা হয়েছে কি না জানতে চান। পরে রাত নয়টার দিকে আবদুর রহিম ফোন করে জানান, স্বামীর বাসায় ফারজানা গলায় ফাঁস দিয়েছেন। খবর পেয়ে বাদী ও ছেলে আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে তাঁর ঘটনাস্থলে যান।
ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম বলেন, তাঁর বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর আগেও যৌতুে কর দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি তুলে নেওয়ার পর তাঁর বোনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ হত্যা মামলা না নিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা নিয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যা মামলা না নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, 'পুলিশ ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। বাদীই লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, এজাহারে পরিবর্তনের সুযোগ নেই।'
ফারজানা ইসলাম ও নাজমুল আলম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের (২৩) ফারজানা ইসলাম ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামীসহ সাতজনকে আসামি করে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন নালমূলের ভগ্নিপতি আবদুর রহিম, বোন আফরোজা বেগম, ভাই সাইফুল আলম গতকাল সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীর বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এতে ফারজানার স্বামী নায়ামুল আলমের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন নালমূলের ভগ্নিপতি আবদুর রহিম, বোন আফরোজা বেগম, ভাই সাইফুল আলম ও তাঁর স্ত্রী সায়মা আক্তার, আরেক ভাই রাসেল ও মা রোকেয়া বেগম।
গত শনিবার রাতে ফতুল্লার ভূঁইগড় এলাকার একটি বাসা থেকে ফারজানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী নাজমুল আলমকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে গত রোববার রাতে জানাজা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাহাড়িয়াকান্দি জয়কালীপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ফারজানার মরদেহ দাফন করা হয়।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের নভেম্বরে সাত লাখ টাকা দেনমোহরে নাজমুল আলমের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। জামাতাকে বিভিন্ন সময়ে টাকা ও জিনিসপত্র দিয়ে সহায়তা করতেন। পরে আর্থিক সহায়তা কমিয়ে দিলে নাজমুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ফারজানার কাছে যৌতুক দাবি করতে থাকেন। যৌতুকের দাবিতে ফারজানাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। তিনি (বাদী) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নাজমুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন। পরে সমঝোতার মাধ্যমে ফারজানা আবার স্বামীর সঙ্গে সংসার শুরু করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, গত শনিবার বেলা তিনটার দিকে নাজমূলের ভগ্নিপতি আবদুর রহিম বাদীর ছেলে আরিফুলকে ফোন করে মামলা তোলা হয়েছে কি না জানতে চান। পরে রাত নয়টার দিকে আবদুর রহিম ফোন করে জানান, স্বামীর বাসায় ফারজানা গলায় ফাঁস দিয়েছেন। খবর পেয়ে বাদী ও ছেলে আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে তাঁর ঘটনাস্থলে যান।
ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম বলেন, তাঁর বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর আগেও যৌতুে কর দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি তুলে নেওয়ার পর তাঁর বোনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ হত্যা মামলা না নিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা নিয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যা মামলা না নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, 'পুলিশ ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। বাদীই লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, এজাহারে পরিবর্তনের সুযোগ নেই।'
ফারজানা ইসলাম ও নাজমুল আলম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী।