দেবীদ্বার প্রতিনিধি

এক দশক আগে স্কুল ছেড়েছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি দেবীদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি ওই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ওই ব্যাচের শিক্ষার্থী ও সহপাঠীরা আজ শনিবার বিকেলে এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেন। এতে এসএসসি ২০১৪ ব্যাচের বন্ধুদের পক্ষ থেকে ১৪ লাখ টাকা উপহার প্রদান করা হয়েছে। নির্বাচন করতেই ওই টাকা দেওয়া হয়।
সহপাঠীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রবাসে থাকা ও দেশে অবস্থানরত ২০১৪ ব্যাচের বন্ধুরা সম্মিলিতভাবে ওই অর্থ তুলেন হাসনাতের জন্য। গতকাল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকার সাকিব, আহম্মেদ শুভ, মহতাদির যারিফ সিক্তসহ ১৪ ব্যাচের আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আল-আমিন, সিক্ত, সাইফুল, ফয়সাল, সাকিবুল ইসলাম, সাগর, শুভ, শাহিন, আশরাফুল, আজিমসহ অন্যান্য বন্ধুরা। সহপাঠী সতীর্থ বন্ধুরা জানান, এটি বন্ধুত্ব, আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। তারা আশা প্রকাশ করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেবীদ্বারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি দেবীদ্বারে স্বচ্ছতা, স্পষ্টতা ও জবাবদিহিতামূলক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান। দিনশেষে আমি যেই রাজনীতিই করি না কেন, সবাই হয়তো আমার রাজনীতির সঙ্গে একমত হবেন না। কিন্তু একটি জায়গায় আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি—স্বচ্ছতা, স্পষ্টতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে আপনারা আমাকে সবসময় পরিষ্কার ও দৃঢ় অবস্থানে পাবেন।
অতীতে তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা ও কটূক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল উল্লেখযোগ্য ভোটও পাব না। আমার বিরুদ্ধে জুতা মিছিল হয়েছে। আমাকে বলা হয়েছিল আমার বংশপরিচয় নেই। কিন্তু আমার বিশ্বাস ছিল রেয়াজ উদ্দিনের বন্ধুরা যদি আমার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে আর কাউকে খুঁজতে হবে না।
রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচ—১৯৬৪ সাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমর্থনের কথা উল্লেখ করে তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ইতিবাচক ও জনকল্যাণমূলক কাজের মধ্য দিয়ে সেই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দেবীদ্বারকে মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা পরিবারতন্ত্রের বাইরে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নেতৃত্ব চাই। যে-ই হোক, যদি মেধা, দক্ষতা ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকে দেবীদ্বারের মানুষ তাকে গ্রহণ করবে।
সবশেষে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত দেবিদ্বার গড়ে তোলা সম্ভব—ইনশাআল্লাহ।

এক দশক আগে স্কুল ছেড়েছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি দেবীদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি ওই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ওই ব্যাচের শিক্ষার্থী ও সহপাঠীরা আজ শনিবার বিকেলে এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেন। এতে এসএসসি ২০১৪ ব্যাচের বন্ধুদের পক্ষ থেকে ১৪ লাখ টাকা উপহার প্রদান করা হয়েছে। নির্বাচন করতেই ওই টাকা দেওয়া হয়।
সহপাঠীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রবাসে থাকা ও দেশে অবস্থানরত ২০১৪ ব্যাচের বন্ধুরা সম্মিলিতভাবে ওই অর্থ তুলেন হাসনাতের জন্য। গতকাল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকার সাকিব, আহম্মেদ শুভ, মহতাদির যারিফ সিক্তসহ ১৪ ব্যাচের আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আল-আমিন, সিক্ত, সাইফুল, ফয়সাল, সাকিবুল ইসলাম, সাগর, শুভ, শাহিন, আশরাফুল, আজিমসহ অন্যান্য বন্ধুরা। সহপাঠী সতীর্থ বন্ধুরা জানান, এটি বন্ধুত্ব, আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। তারা আশা প্রকাশ করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেবীদ্বারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি দেবীদ্বারে স্বচ্ছতা, স্পষ্টতা ও জবাবদিহিতামূলক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান। দিনশেষে আমি যেই রাজনীতিই করি না কেন, সবাই হয়তো আমার রাজনীতির সঙ্গে একমত হবেন না। কিন্তু একটি জায়গায় আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি—স্বচ্ছতা, স্পষ্টতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে আপনারা আমাকে সবসময় পরিষ্কার ও দৃঢ় অবস্থানে পাবেন।
অতীতে তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা ও কটূক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল উল্লেখযোগ্য ভোটও পাব না। আমার বিরুদ্ধে জুতা মিছিল হয়েছে। আমাকে বলা হয়েছিল আমার বংশপরিচয় নেই। কিন্তু আমার বিশ্বাস ছিল রেয়াজ উদ্দিনের বন্ধুরা যদি আমার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে আর কাউকে খুঁজতে হবে না।
রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচ—১৯৬৪ সাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমর্থনের কথা উল্লেখ করে তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ইতিবাচক ও জনকল্যাণমূলক কাজের মধ্য দিয়ে সেই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দেবীদ্বারকে মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা পরিবারতন্ত্রের বাইরে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নেতৃত্ব চাই। যে-ই হোক, যদি মেধা, দক্ষতা ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকে দেবীদ্বারের মানুষ তাকে গ্রহণ করবে।
সবশেষে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত দেবিদ্বার গড়ে তোলা সম্ভব—ইনশাআল্লাহ।