দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বার উপজেলার নবিয়াবাদে শফিকুল ইসলাম নামে এক কৃষক ও খামারির ঘরে গভীররাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দেবীদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নবিয়াবাদ আলমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী একজন কৃষক ও নিজ বাড়িতে হাসঁ-মুরগির খামারের ব্যবসা করেন। সাম্প্রতিক সময়ে নিজ খামারের লক্ষাধিক টাকার হাঁস-মুরগি বিক্রি করেন তিনি। সেই টাকার লোভে ডাকাতরা গত রাত ২টার সময় তাঁর ঘরের কেচিগেট ভেঙে ঘরে ডুকে পড়ে। হঠাৎ বিকট আওয়াজ পেয়ে ঘুম থেকে ওঠেই দেখেন ১০-১৫ জনের একটি ডাকাত দল তাদের ঘরে ডুকে পড়েছে। ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের হাত পা বেঁধে ফেলে। এসময় শফিকুল ইসলাম, তার স্ত্রী কাজল বেগম, ছেলে শরিফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী শাহীনুর আক্তার এবং তাহার দুই নাতি ঘরে ছিলেন।
ডাকাতরা দীর্ঘ এক ঘণ্টা সময়ে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি স্মার্ট ফোন, ঘরের সাথে থাকা দোকানের নগদ অর্থসহ ঘরের ভেতরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়। এতে তাঁর ৩ লক্ষাধিক টাকার ওপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

দেবীদ্বার উপজেলার নবিয়াবাদে শফিকুল ইসলাম নামে এক কৃষক ও খামারির ঘরে গভীররাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দেবীদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নবিয়াবাদ আলমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী একজন কৃষক ও নিজ বাড়িতে হাসঁ-মুরগির খামারের ব্যবসা করেন। সাম্প্রতিক সময়ে নিজ খামারের লক্ষাধিক টাকার হাঁস-মুরগি বিক্রি করেন তিনি। সেই টাকার লোভে ডাকাতরা গত রাত ২টার সময় তাঁর ঘরের কেচিগেট ভেঙে ঘরে ডুকে পড়ে। হঠাৎ বিকট আওয়াজ পেয়ে ঘুম থেকে ওঠেই দেখেন ১০-১৫ জনের একটি ডাকাত দল তাদের ঘরে ডুকে পড়েছে। ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের হাত পা বেঁধে ফেলে। এসময় শফিকুল ইসলাম, তার স্ত্রী কাজল বেগম, ছেলে শরিফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী শাহীনুর আক্তার এবং তাহার দুই নাতি ঘরে ছিলেন।
ডাকাতরা দীর্ঘ এক ঘণ্টা সময়ে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি স্মার্ট ফোন, ঘরের সাথে থাকা দোকানের নগদ অর্থসহ ঘরের ভেতরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়। এতে তাঁর ৩ লক্ষাধিক টাকার ওপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।