• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> মতামত

স্বাস্থ্যকথা

স্ট্রোক চিকিৎসায় সচেতন হোন

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১: ৪৯
logo

স্ট্রোক চিকিৎসায় সচেতন হোন

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১: ৪৯
Photo

জাতীয় সমীক্ষা ২০১৭ মতে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে ১১ দশমিক ৩৯ জনের মধ্যে স্ট্রোকের প্রাদুর্ভাব পাওয়া যায়। সে মতে প্রায় ১৯ লাখ লোক স্ট্রোকে আক্রান্ত। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, দেশের মোট স্ট্রোক রোগীর ১০ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে। মেডিকেলি বলা চলে প্রতি চার জনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক স্ট্রোকের ঝুঁকিতে রয়েছেন। পঙ্গুত্বে দেশের প্রধান কারণ এবং মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক।

স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করতে ‘বিই ফাস্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ‘বি’ বা ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে হঠাৎ হাঁটাচলা বা চলাফেরার ভারসাম্য হারানো কিংবা মাথা ঘোরা, ‘ই’ বা আইজের ক্ষেত্রে হঠাৎ চোখ ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা, ‘এফ’ বা ফেসের ক্ষেত্রে মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়া, ‘এ’ বা আর্মের ক্ষেত্রে এক পাশের হাত বা পা দূর্বল কিংবা অবশ হয়ে যাওয়া এবং ‘এস’ বা স্পিচের ক্ষেত্রে কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্টভাবে কথা বলতে না পারা- এগুলো স্ট্রোকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। ‘টি’ বা টাইমের অর্থ এসব লক্ষণ দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। স্ট্রোকের চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি বাড়তে পারে। তাই হাসপাতালে পৌঁছানোর পর দ্রুত রোগ নির্ণয়, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা চালু রাখার পাশাপাশি দ্রুত পুনর্বাসন শুরু করাও গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ বা তাঁর চেম্বার খুজতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট হয়।

হাসপাতালে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই যেন চিকিৎসা আরম্ভ হয় সে ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সজাগ থাকবেন। সিটি স্ক্যান, এমআরআই সহজলভ্য হতে হবে, প্রতিবেদন পেতে যেন দেরি না হয়। স্ট্রোকের ধরন অনুযায়ী বন্ধ রক্তনালী খুলে দেয়া, রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ, মস্তিষ্কে জমে থাকা রক্ত অপসারণ এবং মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ কমানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। গুরুতর রোগীদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা এবং পরবর্তী পুনর্বাসন সেবাও জরুরি। স্ট্রোকের রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পুনর্বাসন শুরু করা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে শ্বাস-প্রশ্বাস, নাড়ির গতি ও রক্তচাপ স্থিতিশীল এবং স্ট্রোকের সক্রিয় প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া জরুরি। তা না হলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে দেরি হতে পারে। পুনর্বাসন শুধু ফিজিওথেরাপি নয়। এর মধ্যে অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি, পুনর্বাসন নার্সিং এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক ও সামাজিক সহায়তা রয়েছে। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে হাত পায়ের নড়াচড়া, পেশির শক্তি ও কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। স্পিচ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি কথা বলা ও খাবার গিলতে সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।

অকুপেশনাল থেরাপির মাধ্যমে খাওয়া, পোশাক পড়া ও দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা বাড়ানো হয়। দ্রুত পুনর্বাসন শুরু করলে রক্ত জমাট বাঁধা, নিউমোনিয়া, পেশি দুর্বল এবং অস্থিসন্ধি শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতা কমানো সম্ভব। পুনর্বাসন দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। রোগীর উন্নতি অনুযায়ী থেরাপির পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হয়। রক্তনালীর বাধা দূর করা না গেলে মস্তিষ্কের লাখ লাখ স্নায়ুকোষ নষ্ট হয়ে স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা মৃত্যু ঘটতে পারে। আক্রান্তের সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ স্ট্রোক সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে এবং পাশাপাশি পরবর্তী চিকিৎসা ও পরিচর্যায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া জরুরি। স্ট্রোক মূলত মস্তিষ্কের রক্তনালীর একটি জটিল রোগ, যা ‘ব্রেন অ্যাটাক’ নামেও পরিচিত। মস্তিষ্কের রক্তনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ইস্কেমিক স্ট্রোক হয়। আর রক্তনালী ফেটে গিয়ে বাকি ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়ে থাকে। হঠাৎ কথা জড়িয়ে যাওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া বা শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে আসা স্ট্রোকের লক্ষণ। সময়মতো চিকিৎসা না হলে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা মৃত্যুও হতে পারে।

আধুনিক চিকিৎসায় বড় ধরনের অস্ত্রোপাচার বা মাথার হাড় না কেটেও মস্তিষ্কের রক্তনালীর বিভিন্ন চিকিৎসা করা সম্ভব। স্ট্রোকের রোগীদের অন্যতম জটিলতা এসপিরেশন নিউমোনিয়া। মুখের লালা, থুতু বা খাবার শ্বাসনালী দিয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে এ সমস্যা সৃষ্টি করে। এতে রোগী শ্বাসনালী বন্ধ, খিঁচুনি ও মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বেড়ে যায়। আবার হাসপাতালে ভর্তির পর জটিলতা দেখা যায়। এসব কারণে স্ট্রোকের পর রোগীর নিবিড় পরিচর্যা জরুরি বা আইসিইউর প্রয়োজন পড়ে। আইসিইউতে শ্বাসনালী সুরক্ষিত রাখা, শ্বাস প্রশ্বাস পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করা যায়। এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, খিঁচুনি সামলানো এবং রোগীর স্নায়ুবিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়। জটিলতা নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রোপচারের পরবর্তী পরিচর্যা এবং আধুনিক চিকিৎসায় আইসিইউ বেশ কার্যকর।

অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

Thumbnail image

জাতীয় সমীক্ষা ২০১৭ মতে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে ১১ দশমিক ৩৯ জনের মধ্যে স্ট্রোকের প্রাদুর্ভাব পাওয়া যায়। সে মতে প্রায় ১৯ লাখ লোক স্ট্রোকে আক্রান্ত। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, দেশের মোট স্ট্রোক রোগীর ১০ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে। মেডিকেলি বলা চলে প্রতি চার জনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক স্ট্রোকের ঝুঁকিতে রয়েছেন। পঙ্গুত্বে দেশের প্রধান কারণ এবং মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক।

স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করতে ‘বিই ফাস্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ‘বি’ বা ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে হঠাৎ হাঁটাচলা বা চলাফেরার ভারসাম্য হারানো কিংবা মাথা ঘোরা, ‘ই’ বা আইজের ক্ষেত্রে হঠাৎ চোখ ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা, ‘এফ’ বা ফেসের ক্ষেত্রে মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়া, ‘এ’ বা আর্মের ক্ষেত্রে এক পাশের হাত বা পা দূর্বল কিংবা অবশ হয়ে যাওয়া এবং ‘এস’ বা স্পিচের ক্ষেত্রে কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্টভাবে কথা বলতে না পারা- এগুলো স্ট্রোকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। ‘টি’ বা টাইমের অর্থ এসব লক্ষণ দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। স্ট্রোকের চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি বাড়তে পারে। তাই হাসপাতালে পৌঁছানোর পর দ্রুত রোগ নির্ণয়, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা চালু রাখার পাশাপাশি দ্রুত পুনর্বাসন শুরু করাও গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ বা তাঁর চেম্বার খুজতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট হয়।

হাসপাতালে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই যেন চিকিৎসা আরম্ভ হয় সে ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সজাগ থাকবেন। সিটি স্ক্যান, এমআরআই সহজলভ্য হতে হবে, প্রতিবেদন পেতে যেন দেরি না হয়। স্ট্রোকের ধরন অনুযায়ী বন্ধ রক্তনালী খুলে দেয়া, রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ, মস্তিষ্কে জমে থাকা রক্ত অপসারণ এবং মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ কমানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। গুরুতর রোগীদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা এবং পরবর্তী পুনর্বাসন সেবাও জরুরি। স্ট্রোকের রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পুনর্বাসন শুরু করা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে শ্বাস-প্রশ্বাস, নাড়ির গতি ও রক্তচাপ স্থিতিশীল এবং স্ট্রোকের সক্রিয় প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া জরুরি। তা না হলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে দেরি হতে পারে। পুনর্বাসন শুধু ফিজিওথেরাপি নয়। এর মধ্যে অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি, পুনর্বাসন নার্সিং এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক ও সামাজিক সহায়তা রয়েছে। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে হাত পায়ের নড়াচড়া, পেশির শক্তি ও কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। স্পিচ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি কথা বলা ও খাবার গিলতে সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।

অকুপেশনাল থেরাপির মাধ্যমে খাওয়া, পোশাক পড়া ও দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা বাড়ানো হয়। দ্রুত পুনর্বাসন শুরু করলে রক্ত জমাট বাঁধা, নিউমোনিয়া, পেশি দুর্বল এবং অস্থিসন্ধি শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতা কমানো সম্ভব। পুনর্বাসন দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। রোগীর উন্নতি অনুযায়ী থেরাপির পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হয়। রক্তনালীর বাধা দূর করা না গেলে মস্তিষ্কের লাখ লাখ স্নায়ুকোষ নষ্ট হয়ে স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা মৃত্যু ঘটতে পারে। আক্রান্তের সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ স্ট্রোক সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে এবং পাশাপাশি পরবর্তী চিকিৎসা ও পরিচর্যায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া জরুরি। স্ট্রোক মূলত মস্তিষ্কের রক্তনালীর একটি জটিল রোগ, যা ‘ব্রেন অ্যাটাক’ নামেও পরিচিত। মস্তিষ্কের রক্তনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ইস্কেমিক স্ট্রোক হয়। আর রক্তনালী ফেটে গিয়ে বাকি ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়ে থাকে। হঠাৎ কথা জড়িয়ে যাওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া বা শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে আসা স্ট্রোকের লক্ষণ। সময়মতো চিকিৎসা না হলে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা মৃত্যুও হতে পারে।

আধুনিক চিকিৎসায় বড় ধরনের অস্ত্রোপাচার বা মাথার হাড় না কেটেও মস্তিষ্কের রক্তনালীর বিভিন্ন চিকিৎসা করা সম্ভব। স্ট্রোকের রোগীদের অন্যতম জটিলতা এসপিরেশন নিউমোনিয়া। মুখের লালা, থুতু বা খাবার শ্বাসনালী দিয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে এ সমস্যা সৃষ্টি করে। এতে রোগী শ্বাসনালী বন্ধ, খিঁচুনি ও মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বেড়ে যায়। আবার হাসপাতালে ভর্তির পর জটিলতা দেখা যায়। এসব কারণে স্ট্রোকের পর রোগীর নিবিড় পরিচর্যা জরুরি বা আইসিইউর প্রয়োজন পড়ে। আইসিইউতে শ্বাসনালী সুরক্ষিত রাখা, শ্বাস প্রশ্বাস পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করা যায়। এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, খিঁচুনি সামলানো এবং রোগীর স্নায়ুবিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়। জটিলতা নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রোপচারের পরবর্তী পরিচর্যা এবং আধুনিক চিকিৎসায় আইসিইউ বেশ কার্যকর।

অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

স্ট্রোক চিকিৎসায় সচেতন হোন

২

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের রক্তের কাছে ঋণী বাংলাদেশ

৩

এক ও দুই বিষয়ে যারা ফেল করেছে তাদেরকে যোগ্যতা অর্জন করিয়ে পাস করাতে হবে

৪

একটা রেজাল্ট, একটা ছেলে আর আমাদের সমাজ

৫

সুরশিল্পী শচীন দেববর্মন

সম্পর্কিত

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের রক্তের কাছে ঋণী বাংলাদেশ

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের রক্তের কাছে ঋণী বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে
এক ও দুই বিষয়ে যারা ফেল করেছে তাদেরকে যোগ্যতা অর্জন করিয়ে পাস করাতে হবে

এক ও দুই বিষয়ে যারা ফেল করেছে তাদেরকে যোগ্যতা অর্জন করিয়ে পাস করাতে হবে

২ দিন আগে
একটা রেজাল্ট, একটা ছেলে আর আমাদের সমাজ

একটা রেজাল্ট, একটা ছেলে আর আমাদের সমাজ

২ দিন আগে
সুরশিল্পী শচীন দেববর্মন

সুরশিল্পী শচীন দেববর্মন

৫ দিন আগে