ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার এই মহারণে মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং দীর্ঘ ৬০ বছর পর বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নে থাকা ইংল্যান্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার বিখ্যাত মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে হাইভোল্টেজ এই ম্যাচ। দুই দলের শক্তি, ইতিহাস, তারকা খেলোয়াড় এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স—সবকিছু মিলিয়ে ম্যাচটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন আটলান্টার দিকে।
বিশ্বকাপে এবারই ষষ্ঠবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগের পাঁচ দেখায় ইংল্যান্ড জিতেছে তিনবার, আর আর্জেন্টিনা পেয়েছে দুটি জয়। তবে নকআউট পর্বের পরিসংখ্যানে এগিয়ে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরাই। বিশ্বকাপে দুই দলের তিনটি নকআউট লড়াইয়ের মধ্যে দুটিতেই জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
বর্তমানে হ্যারি কেইনও নিজের সেরাটা উজাড় করে দিচ্ছেন। ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো ও নরওয়ের বিপক্ষে নকআউট পর্বে ইংল্যান্ডের সাফল্যে তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। গোল করার পাশাপাশি দলের আক্রমণ পরিচালনায়ও তিনি ছিলেন অনন্য। জুড বেলিংহাম, বুকায়ো সাকা ও মারকুস রাসফোর্ডদের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন দারুণ বোঝাপড়া। পরিসংখ্যানেও জমে উঠেছে দুই তারকার লড়াই।
এই টুর্নামেন্টে মেসি গোলের পাশাপাশি সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও এগিয়ে আছেন। কেইন বক্সের ভেতরে সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতায় অন্যতম সেরা।
সবচেয়ে আলোচিত লড়াইটি নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসির সঙ্গে ডেকলান রাইস ও হ্যারি কেইনের। আর্জেন্টিনার প্রতিটি আক্রমণের শুরু কিংবা শেষ সবখানেই মেসির ছোঁয়া। প্রতিপক্ষের রক্ষণ চিরে দেওয়া পাস, মুহূর্তের সিদ্ধান্ত বদলে দেওয়া ড্রিবল কিংবা দূরপাল্লার নিখুঁত শট। সব মিলিয়ে তিনিই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
সবশেষে, ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মাঠের লড়াইটাই হবে শেষ কথা। মেসির জাদু নাকি কেইনদের শক্তিশালী আক্রমণ—কোনটি জয়ী হবে, তার উত্তর মিলবে আজকের মহারণে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার এই মহারণে মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং দীর্ঘ ৬০ বছর পর বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নে থাকা ইংল্যান্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার বিখ্যাত মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে হাইভোল্টেজ এই ম্যাচ। দুই দলের শক্তি, ইতিহাস, তারকা খেলোয়াড় এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স—সবকিছু মিলিয়ে ম্যাচটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন আটলান্টার দিকে।
বিশ্বকাপে এবারই ষষ্ঠবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগের পাঁচ দেখায় ইংল্যান্ড জিতেছে তিনবার, আর আর্জেন্টিনা পেয়েছে দুটি জয়। তবে নকআউট পর্বের পরিসংখ্যানে এগিয়ে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরাই। বিশ্বকাপে দুই দলের তিনটি নকআউট লড়াইয়ের মধ্যে দুটিতেই জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
বর্তমানে হ্যারি কেইনও নিজের সেরাটা উজাড় করে দিচ্ছেন। ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো ও নরওয়ের বিপক্ষে নকআউট পর্বে ইংল্যান্ডের সাফল্যে তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। গোল করার পাশাপাশি দলের আক্রমণ পরিচালনায়ও তিনি ছিলেন অনন্য। জুড বেলিংহাম, বুকায়ো সাকা ও মারকুস রাসফোর্ডদের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন দারুণ বোঝাপড়া। পরিসংখ্যানেও জমে উঠেছে দুই তারকার লড়াই।
এই টুর্নামেন্টে মেসি গোলের পাশাপাশি সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও এগিয়ে আছেন। কেইন বক্সের ভেতরে সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতায় অন্যতম সেরা।
সবচেয়ে আলোচিত লড়াইটি নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসির সঙ্গে ডেকলান রাইস ও হ্যারি কেইনের। আর্জেন্টিনার প্রতিটি আক্রমণের শুরু কিংবা শেষ সবখানেই মেসির ছোঁয়া। প্রতিপক্ষের রক্ষণ চিরে দেওয়া পাস, মুহূর্তের সিদ্ধান্ত বদলে দেওয়া ড্রিবল কিংবা দূরপাল্লার নিখুঁত শট। সব মিলিয়ে তিনিই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
সবশেষে, ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মাঠের লড়াইটাই হবে শেষ কথা। মেসির জাদু নাকি কেইনদের শক্তিশালী আক্রমণ—কোনটি জয়ী হবে, তার উত্তর মিলবে আজকের মহারণে।