ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ফরাসিদের জাতীয় উৎসবের দিন ‘বাস্তিল ডে’-তে মাঠ থেকে কাঁদিয়ে বিদায় করে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে টিকিট কাটলো স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে লা রোহারা।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে চলমান বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। দুই অর্ধেই একটি করে গোল দিয়েছে স্পেন। প্রথমার্ধে ২২ মিনিটের মাথায় মিকেল ওয়ারজাবালের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৫৮ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন পেদ্রি পোরো।
এ নিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল দুই বছর আগে ইউরো জয়ী লা রোজারা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। আগামী ১৯ জুলাই রাতে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে জয়ী দলের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে নামবেন লামিন ইয়ামাল-রদ্রিরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধের শুরু থেকেই দুই দল মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করলেও ২২তম মিনিটে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়। ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে নিজের বক্সে স্প্যানিশ বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামালকে আটকাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত অনিচ্ছাকৃত ফাউল করে বসেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্প্যানিশ স্ট্রাইকার মিকেল ওয়ারজাবাল অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেইগনানকে পরাস্ত করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এরপর ম্যাচের ৩০তম মিনিটে পিঠের চোটে উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়লে বড় ধাক্কা খায় ফ্রান্স, তার জায়গায় নামেন ম্যাক্সেন্স ল্যাক্রোইক্স। প্রথমার্ধের শেষদিকে এমবাপ্পে ও বারকোলা কিছু চেষ্টা করলেও স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোনের দৃঢ়তায় ফরাসিরা গোলবঞ্চিত হয়েই বিরতিতে যায়।
বিরতির পরও স্পেনের দুর্দান্ত পাসিং ফুটবলের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে ফ্রান্স। ৫৮ মিনিটে দলের লিড দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। ওলমোর সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে ডান পাশ ধরে বক্সে ঢুকেই গোলকিপারকে কাটিয়ে জাল কাঁপান পেদ্রি। তিন মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় জাল খুঁজে নেন ইয়ামালও, কিন্তু অফসাইডের কারণে স্পেনের লিড ৩-০ হয়নি।
ম্যাচের ৬৭ মিনিটে বক্সের সামনে থেকে এমবাপের নেওয়া কোনাকুনি শট স্পেনের এক ডিফেন্ডারের শরীরের লেগে পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি মিনিট পর একাধিক পরিবর্তন করেন ফ্রান্স কোচ। কিন্তু তাতে ম্যাচের গতি বদলায়নি।
৭৯ মিনিটে সুযোগ তৈরি করে স্পেন। বায়েনার ক্রসে বক্সে হেড নিয়েছিলেন ফেরান তোরেস। কিন্তু বল বেরিয়ে যায় পোস্টঘেঁষে। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে স্প্যানিশ রক্ষণে ঝড় তোলে ফ্রান্স। তবে গোলকিপার উনাই সিমন ও ডিফেন্ডার কুকুরেয়ার বীরত্বে ফরাসিদের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়।
৮২ মিনিটে বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে কিছুটা ভুল করে বসেন সিমন, তবে দ্রুতই পজিশনে ফিরে এসে দেজিরে দুয়ের শট বক্সের ভেতর থেকে ব্লক করে দলকে বাঁচান তিনি। পরের মিনিটেই থিও হার্নান্দেজের আরেকটি দারুণ শট রুখে দেন এই গোলকিপার।
৮৯ মিনিটে এমবাপের একটি শট গোলবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে ফ্রান্সের ম্যাচে ফেরার আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। পরের মিনিটে ফরাসি অধিনায়কের আরেকটি প্রচেষ্টা নিজেদের পেনাল্টি বক্স থেকে ক্লিয়ার করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন কুকুরেয়া।
রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্প্যানিশ শিবির। ফরাসিদের দম্ভ চূর্ণ করে ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতোয়ারা হয় স্পেন সমর্থকেরা।

ফরাসিদের জাতীয় উৎসবের দিন ‘বাস্তিল ডে’-তে মাঠ থেকে কাঁদিয়ে বিদায় করে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে টিকিট কাটলো স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে লা রোহারা।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে চলমান বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। দুই অর্ধেই একটি করে গোল দিয়েছে স্পেন। প্রথমার্ধে ২২ মিনিটের মাথায় মিকেল ওয়ারজাবালের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৫৮ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন পেদ্রি পোরো।
এ নিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল দুই বছর আগে ইউরো জয়ী লা রোজারা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। আগামী ১৯ জুলাই রাতে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে জয়ী দলের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে নামবেন লামিন ইয়ামাল-রদ্রিরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধের শুরু থেকেই দুই দল মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করলেও ২২তম মিনিটে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়। ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে নিজের বক্সে স্প্যানিশ বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামালকে আটকাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত অনিচ্ছাকৃত ফাউল করে বসেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্প্যানিশ স্ট্রাইকার মিকেল ওয়ারজাবাল অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেইগনানকে পরাস্ত করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এরপর ম্যাচের ৩০তম মিনিটে পিঠের চোটে উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়লে বড় ধাক্কা খায় ফ্রান্স, তার জায়গায় নামেন ম্যাক্সেন্স ল্যাক্রোইক্স। প্রথমার্ধের শেষদিকে এমবাপ্পে ও বারকোলা কিছু চেষ্টা করলেও স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোনের দৃঢ়তায় ফরাসিরা গোলবঞ্চিত হয়েই বিরতিতে যায়।
বিরতির পরও স্পেনের দুর্দান্ত পাসিং ফুটবলের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে ফ্রান্স। ৫৮ মিনিটে দলের লিড দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। ওলমোর সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে ডান পাশ ধরে বক্সে ঢুকেই গোলকিপারকে কাটিয়ে জাল কাঁপান পেদ্রি। তিন মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় জাল খুঁজে নেন ইয়ামালও, কিন্তু অফসাইডের কারণে স্পেনের লিড ৩-০ হয়নি।
ম্যাচের ৬৭ মিনিটে বক্সের সামনে থেকে এমবাপের নেওয়া কোনাকুনি শট স্পেনের এক ডিফেন্ডারের শরীরের লেগে পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি মিনিট পর একাধিক পরিবর্তন করেন ফ্রান্স কোচ। কিন্তু তাতে ম্যাচের গতি বদলায়নি।
৭৯ মিনিটে সুযোগ তৈরি করে স্পেন। বায়েনার ক্রসে বক্সে হেড নিয়েছিলেন ফেরান তোরেস। কিন্তু বল বেরিয়ে যায় পোস্টঘেঁষে। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে স্প্যানিশ রক্ষণে ঝড় তোলে ফ্রান্স। তবে গোলকিপার উনাই সিমন ও ডিফেন্ডার কুকুরেয়ার বীরত্বে ফরাসিদের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়।
৮২ মিনিটে বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে কিছুটা ভুল করে বসেন সিমন, তবে দ্রুতই পজিশনে ফিরে এসে দেজিরে দুয়ের শট বক্সের ভেতর থেকে ব্লক করে দলকে বাঁচান তিনি। পরের মিনিটেই থিও হার্নান্দেজের আরেকটি দারুণ শট রুখে দেন এই গোলকিপার।
৮৯ মিনিটে এমবাপের একটি শট গোলবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে ফ্রান্সের ম্যাচে ফেরার আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। পরের মিনিটে ফরাসি অধিনায়কের আরেকটি প্রচেষ্টা নিজেদের পেনাল্টি বক্স থেকে ক্লিয়ার করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন কুকুরেয়া।
রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্প্যানিশ শিবির। ফরাসিদের দম্ভ চূর্ণ করে ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতোয়ারা হয় স্পেন সমর্থকেরা।