চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে (ইউসিএল) আরও একবার পিএসজির জয়োল্লাস। নির্ধারিত সময় ১-১ ড্রয়ে শেষ হওয়ার ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শ্যুটআউটে ৪-৩ গোলে আর্সেনালকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে কোচ লুইস এনরিকের দল। এতে করে আরও একবার ইউসিএল শিরোপার খুব কাছে গিয়েও হারের তিক্ত স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো আর্সেনালকে।
গতকাল শনিবার হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হয় ইউরোপ সেরার মুকুট নির্ধারণের এই মহারণ। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই পিএসজির জালে বল জড়ায় আর্সেনাল। কাই হার্ভেজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। প্রথমার্ধে দুদল একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠে পিএসজি। ৬৫ মিনিটে ডিবক্সে ফাউলের জেরে পেনাল্টি পায় ফরাসি ক্লাবটি। উসমান দেম্বেলে গোল করতে কোনও ভুল করেননি। আর এতেই সমতা ফেরে।
প্রথম ১ ঘণ্টা কী স্বপ্নের মতোই না কাটছিল আর্সেনালের। ৫ম মিনিটে কাই হ্যাভার্টজ বল নিয়ে ছুটলেন পিএসজির বক্সে, বাম প্রান্ত দিয়ে ঢুকে খুঁজলেন সতীর্থ কাউকে, যখন আবিষ্কার করলেন আর্সেনাল পক্ষ থেকে তিনি একাই আছেন বক্সে, তখনই কামান দাগালেন রীতিমতো। মেদভেই সাফানোভ পরাস্ত, পিএসজিও বৈকি। আর্সেনাল পেয়ে গেল মহামূল্য লিড।
শুরুর অর্ধে সে গোল আর শোধ করতে পারেনি পিএসজি। জমাট রক্ষণে আর্সেনাল সেটা করতেও দেয়নি। আর্সেনালের রক্ষণ কেমন জমাটি ছিল, সেটার আন্দাজ এই তথ্য থেকে মিলতে পারে, তাদের স্ট্রাইকারকে প্রায় সময়ই নিজেদের বক্সের বাইরে দেখা গেছে, উইঙ্গার বুকায়ো সাকা দেখা গেছে আরও নিচে নেমে আসতে। বুঝুন তাহলে!
অতি রক্ষণ সারতে গিয়েই বিপত্তিটা বাধায় আর্সেনাল। ৬১ মিনিটে কভিচা কভারাৎসখেলিয়াকে বক্সে ফাউল করে বসেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে।
নির্ধারিত সময়ে এই সমতা আর ভাঙেনি, এমনকি অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও সম্ভব হয়নি। পেনাল্টি শ্যুটআউটেও এই সমতা ভাঙল একেবারে শেষ শটে গিয়ে।
পিএসজির শুরুর শটটা নিয়েছিলেন গনসালো রামোস, ঠাণ্ডা মাথায় করেছেন গোল। আর্সেনালের প্রথম শট নিতে আসা ভিক্তর ইয়োকেরেশও গোল পেয়ে গেলেন।
দ্বিতীয় শটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন দেজিরে দুয়ে। আর্সেনালকে সমতায় ফেরাতে ব্যর্থ হন এজে, শট মারেন বাইরে দিয়ে। তবে এই সমতাটা পিএসজিই ফেরানোর সুযোগ করে দেয়, নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন দাভিদ রায়া; ডেক্লান রাইসের গোলে আর্সেনাল সমতা ফেরায় ম্যাচে।
চতুর্থ শটে আশরাফ হাকিমি আর গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি গোল পেয়ে গেলেন। পঞ্চম শটে পিএসজির বেরালদো গোল পেলেও বলটা আকাশে মেরে দেন পুরো ম্যাচে দারুণ খেলে আর্সেনালকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসা গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েশ। আরও একবার চোখের জলে ভাসতে হয় আর্সেনালকে, পিএসজি টানা দ্বিতীয় বারের মতো বনে যায় ইউরোপসেরা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে (ইউসিএল) আরও একবার পিএসজির জয়োল্লাস। নির্ধারিত সময় ১-১ ড্রয়ে শেষ হওয়ার ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শ্যুটআউটে ৪-৩ গোলে আর্সেনালকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে কোচ লুইস এনরিকের দল। এতে করে আরও একবার ইউসিএল শিরোপার খুব কাছে গিয়েও হারের তিক্ত স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো আর্সেনালকে।
গতকাল শনিবার হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হয় ইউরোপ সেরার মুকুট নির্ধারণের এই মহারণ। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই পিএসজির জালে বল জড়ায় আর্সেনাল। কাই হার্ভেজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। প্রথমার্ধে দুদল একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠে পিএসজি। ৬৫ মিনিটে ডিবক্সে ফাউলের জেরে পেনাল্টি পায় ফরাসি ক্লাবটি। উসমান দেম্বেলে গোল করতে কোনও ভুল করেননি। আর এতেই সমতা ফেরে।
প্রথম ১ ঘণ্টা কী স্বপ্নের মতোই না কাটছিল আর্সেনালের। ৫ম মিনিটে কাই হ্যাভার্টজ বল নিয়ে ছুটলেন পিএসজির বক্সে, বাম প্রান্ত দিয়ে ঢুকে খুঁজলেন সতীর্থ কাউকে, যখন আবিষ্কার করলেন আর্সেনাল পক্ষ থেকে তিনি একাই আছেন বক্সে, তখনই কামান দাগালেন রীতিমতো। মেদভেই সাফানোভ পরাস্ত, পিএসজিও বৈকি। আর্সেনাল পেয়ে গেল মহামূল্য লিড।
শুরুর অর্ধে সে গোল আর শোধ করতে পারেনি পিএসজি। জমাট রক্ষণে আর্সেনাল সেটা করতেও দেয়নি। আর্সেনালের রক্ষণ কেমন জমাটি ছিল, সেটার আন্দাজ এই তথ্য থেকে মিলতে পারে, তাদের স্ট্রাইকারকে প্রায় সময়ই নিজেদের বক্সের বাইরে দেখা গেছে, উইঙ্গার বুকায়ো সাকা দেখা গেছে আরও নিচে নেমে আসতে। বুঝুন তাহলে!
অতি রক্ষণ সারতে গিয়েই বিপত্তিটা বাধায় আর্সেনাল। ৬১ মিনিটে কভিচা কভারাৎসখেলিয়াকে বক্সে ফাউল করে বসেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে।
নির্ধারিত সময়ে এই সমতা আর ভাঙেনি, এমনকি অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও সম্ভব হয়নি। পেনাল্টি শ্যুটআউটেও এই সমতা ভাঙল একেবারে শেষ শটে গিয়ে।
পিএসজির শুরুর শটটা নিয়েছিলেন গনসালো রামোস, ঠাণ্ডা মাথায় করেছেন গোল। আর্সেনালের প্রথম শট নিতে আসা ভিক্তর ইয়োকেরেশও গোল পেয়ে গেলেন।
দ্বিতীয় শটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন দেজিরে দুয়ে। আর্সেনালকে সমতায় ফেরাতে ব্যর্থ হন এজে, শট মারেন বাইরে দিয়ে। তবে এই সমতাটা পিএসজিই ফেরানোর সুযোগ করে দেয়, নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন দাভিদ রায়া; ডেক্লান রাইসের গোলে আর্সেনাল সমতা ফেরায় ম্যাচে।
চতুর্থ শটে আশরাফ হাকিমি আর গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি গোল পেয়ে গেলেন। পঞ্চম শটে পিএসজির বেরালদো গোল পেলেও বলটা আকাশে মেরে দেন পুরো ম্যাচে দারুণ খেলে আর্সেনালকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসা গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েশ। আরও একবার চোখের জলে ভাসতে হয় আর্সেনালকে, পিএসজি টানা দ্বিতীয় বারের মতো বনে যায় ইউরোপসেরা।